বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Viral Video: এ তো হুবহু অমিতাভ বচ্চন! পুণের অধ্যাপককে দেখে হাঁ নেটপাড়া, তুমুল ভাইরাল ভিডিয়ো
অমিতাভ বচ্চনের হামশকল-কে দেখে তাজ্জব নেটপাড়া

Viral Video: এ তো হুবহু অমিতাভ বচ্চন! পুণের অধ্যাপককে দেখে হাঁ নেটপাড়া, তুমুল ভাইরাল ভিডিয়ো

  • পেশায় অধ্যাপক, তবে ধ্যান-জ্ঞান সবই অমিতাভ বচ্চন। পরিচয় করে নিন শশিকান্ত পেড়ওয়ালের সঙ্গে। তাঁর ভিডিয়ো দেখে ভিরমি খাচ্ছে নেটপাড়া। প্রশ্ন উঠছে এতটা মিল সম্ভব?

আসল-নকল সত্যি চেনা দায়! অমিতাভ বচ্চনের মতো হাঁটা-চলা, শাহেনশার মতোই ৬ ফুট লম্বা উচ্চতা, অন্ধেরির রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন মানুষটা। তাঁকে দেখলে যে কেউ ভাববেন ইনি অমিতাভ বচ্চন। তবে না, উপরের ছবির মানুষটি অমিতাভ বচ্চন ভাবলে আপনি ভুল করছেন। না, ইনি বলিউড সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চন নন, বরং তাঁর অবিকল অমিতাভের মতো দেখতে পুণের এক অধ্যাপক। 

পুণের এই অধ্যাপকের নাম শশিকান্ত পেড়ওয়াল। তাঁর সঙ্গে অমিতাভের চেহারার এতটাই মিল রয়েছে যে তাঁকে দেখলে আয়না দর্শনের কথা মনে হতে পারে স্বয়ং অমিতাভের। তারকাদের মতো দেখতে মানুষের খোঁজ পাওয়াটা খুব বিরল ঘটনা তা নয়। কারুর ক্ষেত্রে মুখের মিল থাকে, কেউ কেউ আবার নিজের প্রিয় তারকার আদব-কায়দা নকল করে তাঁকে একাত্ম করে নেন। অমিতাভের ম্যানারিজম আগেও অনেকে নকল করেছেন। কিন্তু পুণের এই অধ্যাপক সত্যিই সবার চেয়ে আলাদা। একদিকে যেমন অমিতাভের মতো ম্যানারিজম রয়েছে তাঁর, তেমনই তাঁর চেহারা এবং মুখের আদলও শাহেনশার মতো।

দুটো মানুষের মতো এতটা মিল হতে পারে? শশিকান্ত পেড়ওয়ালের ভিডিয়ো দেখে প্রশ্ন নেটিজেনদের। যে ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় আগুনের মতো ভাইরাল হয়েছে সেখানে অমিতাভের ‘শাহেনশা’ ছবির ‘অন্ধেরি রাতো মে’ গানটি প্রেক্ষাপটে বাজছে, আর 'শুনশান' রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসছেন অমিতাভ বচ্চন থুড়ি শশিকান্ত পেড়ওয়াল। 

দেখে নিন শশিকান্ত পেড়ওয়ালের আরও কয়েকটি ভিডিয়ো, প্রত্যেকটিতেই অবিকল অমিতাভ বচ্চন হয়েই ধরা দিয়েছেন তিনি! এমনকী অমিতাভের ব্যারিটোন ভয়েসও অবিকল নকল করেন এই অধ্যাপক। বিশ্বাস হচ্ছে না তো? দেখে নিন-

আইটিআই পুণের পড়ুয়াদের পড়ানোর ফাঁকে অমিতাভ বচ্চনকে নকল করেন শশিকান্ত পেড়ওয়াল। বিগ বি-র মতোই সেজে একাধিক ভিডিও তৈরি করেন।

ইন্টারনেটের দৌলতে এখন এতটাই ভাইরাল শশিকান্ত, যে নিজের গুরুদেব অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে বিজ্ঞাপনী শ্যুটও সেরে ফেলেছেন তিনি।

অমিতাভের সঙ্গে দেখা করে আপ্লুত অধ্যাপক। তিনি লেখেন, ‘গুরুদেবের স্থান সবসময় উপরে হয়। একটা শ্যুটের ফাঁকে’। 

 

বন্ধ করুন