বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Aryan Khan: কারেন্ট ছিল না বলেই জামিন পেয়েও ২ রাত জেলবন্দি থাকতে হল আরিয়ানকে! ব্যাপারটা কী?
আরও এক রাত জেলেই কাটবে আরিয়ানের 

Aryan Khan: কারেন্ট ছিল না বলেই জামিন পেয়েও ২ রাত জেলবন্দি থাকতে হল আরিয়ানকে! ব্যাপারটা কী?

  • ‘৩০ মিনিট তো শুধু নষ্ট হল’, কেন শুক্রবার জেল থেকে ছাড়া পেলেন না আরিয়ান?

বৃহস্পতিবারই আরিয়ান খানকে জামিনে রেহাই-এর নির্দেশ দিয়েছিল বম্বে হাই কোর্ট। কিন্তু তার পরেও দু-রাত আর্থার রোড জেলের কুঠুরিতেই কেটেছে শাহরুখ পুত্রের। বৃহস্পতিবার আরিয়ানকে জামিন দিলেও, রায়ের বিস্তারিত প্রতিলিপি বা জামিনের শর্ত প্রকাশ্যে আনেনি কোর্ট তাই সেই রাতটা জেলে থাকতে হয় আরিয়ানকে। আশা ছিল শুক্রবার বিকালে মন্নতে ফিরবেন আরিয়ান। শাহরুখ-পুত্রের লিগ্যাল টিম নিজেদের তরফে প্রস্তুতির খামতি রাখেনি। আরিয়ানের জামিনদার হিসাবে জুহি চাওলা প্রস্তুত ছিলেন, নগদ এক লক্ষ টাকা তৈরি ছিল, সিউরিটি সার্টিফিকেটও রেডি ছিল কিন্তু তা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে আরিয়ানের জামিনের অর্ডার নিয়ে আর্থার রোড পৌঁছাতে পারেননি সতীশ মানেশিন্ডে।

কোথায় হল গণ্ডগোল? কেন দেরি হল এই প্রক্রিয়ায়? সেই কথা সম্প্রতি ফাঁস করেছেন আরিয়ানের বন্ধু তথা ক্রুজ ড্রাগ পার্টি কাণ্ডের সহ-অভিযুক্ত আরবাজ মার্চেন্টের বাবা আসলাম মার্চেন্ট। তিনি নিজেও পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি জানান, ‘কাগজপত্র তৈরির কাজ সেশন কোর্টে আটকে যায়, আসলে যখন আরিয়ানের রিলিজ মেমো (জামিন পরোয়ানা) টাইপ করা হচ্ছিল ঠিক তখনই গোটা সেশন কোর্টের বিদ্যুত্ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মিনিট পর কারেন্ট আসে’। এই দেরির জন্যই নির্ধারিত ৫.৩০-টার মধ্যে জামিনের পরোয়ানা নিয়ে আর্থার রোড জেলে হাজির হতে পারেননি আরিয়ানের আইনজীবীরা।

কারাগারের নিয়ম রয়েছে, বিকাল ৫.৩০-টার পর কোনও অভিযুক্তের জামিন পরোয়ানা গ্রহণ করে না তাঁরা। কারণ সূর্যাস্তের পর বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার নিয়ম নেই। গত ২রা অক্টোবর গোয়াগামী ক্রুজে উঠতে গিয়ে এনসিবির হাতে আটক হন আরিয়ান। দু-দফা এনসিবি হেফাজতের পর গত ৮ই অক্টোবর আর্থার রোড জেলে পাঠানো হয়েছিল তারকা পুত্রকে। আরিয়ানের কাছে মেলেনি মাদক, তবে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের সূত্র ধরে এনসিবি দাবি করে আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের সঙ্গে যোগসাজশ রয়েছে আরিয়ান খানের। 

বন্ধ করুন