বাড়ি > বায়োস্কোপ > বেইরুটের জন্য মন কাঁদছে বাংলার, প্রার্থনায় শামিল টলি তারকা মিমি,জিত,দেবরা
বেইরুটে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা 
বেইরুটে ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা 

বেইরুটের জন্য মন কাঁদছে বাংলার, প্রার্থনায় শামিল টলি তারকা মিমি,জিত,দেবরা

  • লেবানের রাজধানী বেইরুটে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত কমপক্ষে ৭৮, আহত প্রায় ৪০০০ মানুষ।
  • ২০২০ সালে বিশ্ববাসীকে আর কোনও ঘটনার সাক্ষী থাকতে হবে? প্রশ্ন টলি তারকাদের। 

মঙ্গলবার লেবানের রাজধানী বেইরুটে জোরালো বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৭৮ জন, আহত প্রায় চার হাজার মানুষ। বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যা। এই বিস্ফোরণের কারণ এখনও বোঝা যায়নি, তবে ধ্বংসলীলার ছবি,ভিডিয়ো দেখে স্তব্ধ গোটা বিশ্ব। এই কঠিন সময়ে বেইরুটের জন্য প্রার্থনা করছে ভারত। গতকাল রাত থেকেই ইন্টারনেটে বেইরুট বিস্ফোরণের সে সব ভিডিয়ো সামনে এসেছে-তা হৃদয় কাঁপিয়ে দিচ্ছে, রক্ত,ধ্বংসলীলা, হাহাকার-মুহূর্তেই সব হারানোর যন্ত্রণা। 

বেইরুটের প্রতি সমব্যাথী টলিউডও। টলি নায়িকা মিমি চক্রবর্তী টুইট বার্তায় লেখেন, ‘বেইরুটের জন্য প্রার্থনা করছি, ভিডিয়ো চোখে দেখা যাচ্ছে না, হৃদয় ভেঙে গেছে’।

 মিমির বাজি কো-স্টার তথা টলিউড তারকা জিত লেখেন,'ভয়ঙ্কর,ভীষণ ভয়ঙ্কর ছবি উঠে আসছে বেইরুট থেকে, মন ভেঙে যাচ্ছে। প্রার্থনা করছি সেই সকল মানুষের জন্য যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন এবং যাঁরা আহত। ভগবান জানে ২০২০ সালে আমাদের জন্য আর কী অপেক্ষা করছে'। 

একই সুর দেব,রাজ চক্রবর্তীর কন্ঠেও।

কী কারণে এই বিস্ফোরণ তা এখনও বোঝা গেল না। তবে প্রেসিডেন্ট মাইকেল আউন শুধু জানিয়েছেন, গত ছ'বছর ধরে কোনও সুরক্ষাবিধি না মেনেই বন্দরে ২,৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট মজুত রাখা হয়েছিল। যা ‘গ্রহণযোগ্য’ নয় বলে জানিয়েছেন তিনি। র্স জানিয়েছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ১৬০ কিলোমিটার দূরে সাইপ্রাসেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। বেইরুটের এক ডিজাইনার হুডা বারৌদি বলেন, ‘বিস্ফোরণে আমি কয়েক মিটার উড়ে যাই। আমি হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছিলাম এবং সারাদেহে রক্ত লেগেছিল। ১৯৮৩ সালে মার্কিন দূতাবাসে বিস্ফোরণের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে সেটি।’

বন্ধ করুন