বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘নো-ফটো’ চিত্কার করে বলল তৈমুর, পাপরাজিতরা কথা না শোনায় ছুঁড়ল লাথি!
মেজাজ হারাল ছোটে নবাব
মেজাজ হারাল ছোটে নবাব

‘নো-ফটো’ চিত্কার করে বলল তৈমুর, পাপরাজিতরা কথা না শোনায় ছুঁড়ল লাথি!

  • ‘ছবি তুলবে না’, সচেতন করল তৈমুর। তবে সাংবাদিকরা কথা না শোনায় মেজাজ হারাল ছোটে নবাব…

সইফ-করিনা পুত্র তৈমুর ছোট থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া সেনশেশন। তাঁর ফলোয়ার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। সর্বত্রই তাঁর পিছু ধাওয়া করেন পাপারাতজিরা। ছোট থেকেই ক্যামেরার উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে, নানারকম প্রতিক্রিয়া দিতে ওস্তাদ সে। ছেলের সেলিব্রিটি স্টেটাস নিয়ে মাঝেসাঝেই চিন্তা জাহির করেন সইফিনা। তবে ছোটে নবাব কিন্তু মারত্মক মুডি! কিছুদিন আগেই হিমাচলের রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে পাপারাতজিদের সচেতন করে ছবি তুলতে নিষেধ করেছিল সে। বুধবার ফের একইরকম সুরে ছবি তুলতে অনীহা প্রকাশ করল টিম। 

২০শে ডিসেম্বর অর্থাত্ ঠিক তিনদিন পরেই তৈমুরের জন্মদিন। পাঁচে পা দেবে সইফ-করিনা পুত্র। পাশাপাশি মাসখানেকের মধ্যে পরিবারেও প্রমোশন হচ্ছে তাঁর, দাদার আসনে বসতে চলেছে সে। ছোট্ট ভাই অথবা বোনের অপেক্ষাতে দিন গুনছে তৈমুর। এর মাঝে টিমকে বুধবার পাওয়া গেল মায়ের হাত ধরে। গাড়ি থেকে নেমে লিফটে ওঠবার আগের মুহূর্তে হাজারো ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ঘিরে ধরে মা-ছেলেকে। শুরুতেই তৈমুর বলে দেয়- ‘নো-ফটো’।

কিন্তু কে কার কথা শুনছে? পাপারাতজিরা তখন ব্যস্ত সেরা ফ্রেম লেন্সবন্দি করতে। সকলেই আবদার জানালেন ‘করিনা ম্যাম একটু সামনে আসুন না’। অনুরোধ ফেরাননি করিনা, কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে ফটো তোলবার সুযোগ দেন, দু-পা এগিয়েও আসেন। তবে ছেলের হাত সারাক্ষণ শক্ত করে ধরে ছিলেন। এর মাঝেই খানিকটা বিরক্তির সুরে হওয়ায় পা ছুঁড়ে দেয় তৈমুর। 

এদিন ধূসর রঙের টার্টেল নেক ড্রেসে পাওয়া গেল করিনাকে, সঙ্গে কোমরে একই রঙের বেল্ট। বেবোর বেবি বাম্প স্পষ্ট ফুটে উঠেছে এই বডি হাগিং ড্রেসে। করিনার পায়ের গোলাপি স্লিপার্সও বেশ নজরকাড়া। অন্যদিকে পতৌদির যুবরাজ তৈমুরকে ধূসর রঙের টি-শার্ট ও ডেনিম জিনসে পাওয়া গেল। 

করিনা কাপুরের প্রেগন্যান্সি ফ্যাশন এখন বলিউডের টক অফ দ্য টাউন, এদিনও তাঁর অন্যথা হল না। তবে স্টাইলের মামলায় কম যায় না তৈমুরও। ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর জন্ম হয়েছিল তৈমুরের। আর চলতি বছর অগস্টে সইফ ও করিনা যৌথ বিবৃতি দিয়ে দ্বিতীয়বার সন্তান আসার সুখবর দেন। 

বন্ধ করুন