বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > সুপ্রিম শুনানির আগে তাণ্ডব ইস্যুতে ফের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইল আমাজন
আর্জি শুনবে শীর্ষ আদালতে 
আর্জি শুনবে শীর্ষ আদালতে 

সুপ্রিম শুনানির আগে তাণ্ডব ইস্যুতে ফের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইল আমাজন

  •  গত সপ্তাহে এলহাবাদ হাইকোর্ট অপর্ণা পুরোহিতের জামিনের আর্জি খারিজ করে দেয়। 

গত সপ্তাহেই আমাজন প্রাইম ভিডিয়ো ইন্ডিয়া অরিজিন্যাস-এর প্রধান অপর্ণা পুরোহিতের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট।এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ আমাজন ইন্ডিয়ার মহিলা কর্ণধার। আজ, বুধবার শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি হবে। 

উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই সকলকে অবাক করে দিতে ভারতীয় দর্শকদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে নেয় বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই স্ট্রিমিং সার্ভিস। আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘আমাজন প্রাইম ভিডিয়ো ইন্ডিয়ার ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছে’। তাঁরা বলেন, কিছু দৃশ্য নিয়ে একটা নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষ আপত্তি তুলেছেন, এর জন্য তাঁরা গভীরভাবে দুঃখিত। তবে কারুর ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার কোনওরকম ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তাঁদের ছিল না। 

সেখানে লেখা রয়েছে, ‘আমরা আমাদের দর্শকদের বৈচিত্র্যের ভাবনাকে সম্মান করি এবং নিঃশর্তভাবে সেই সকল মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি যাঁরা এই ঘটনার জেরে আঘাত পেয়েছেন’। সেই সকল বিতর্কিত দৃশ্য নজরে আসবার পরেই মুছে ফেলা হয়েছে বলেও জানানো হয় এই বার্তায়। 

৯ এপিসোডের পলিটিক্যাল থ্রিলার ‘তাণ্ডব’-এ সইফ আলি খান, ডিম্পল কাপাডিয়া, মহম্মদ জিশান আয়ুবের মতো বলিউড অভিনেতারা কাজ করেছেন। জানুয়ারি মাসেই আমাজন প্রাইম ইন্ডিয়াতে স্ট্রিমিং শুরু হয় ‘তাণ্ডব’-এর। তার পর থেকেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না এই সিরিজের।

বয়ান রেকর্ড করলেন অপর্ণা পুরোহিত (ANI Photo)
বয়ান রেকর্ড করলেন অপর্ণা পুরোহিত (ANI Photo)

‘তাণ্ডব’ টিমের বিরুদ্ধে গোটা দেশে কমপক্ষে ১০টি এফআইআর রুজু হয়েছে। ইউপি পুলিশের তরফে গত ১৭ই জানুয়ারি ভারতের আমাজন প্রাইম প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলাতে আগেই বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে অপর্ণা পুরোহিতের। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩এ এবং ২৯৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে অপর্ণা ও তাণ্ডব- সিরিজের সঙ্গে যুক্ত আরও চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

এলাহাবাদ হাইকোর্টের অপর্ণা পুরোহিতে জামিনের আবেদন খারিজ করে গত সপ্তাহে জানান, ‘পশ্চিমী ফিল্মমেকাররা যিশু অথবা পয়গম্বরকে নিয়ে উপহাস করা থেকে বিরত থাকেন কিন্তু হিন্দি ফিল্মমেকাররা বারবার এই কাজ করে চলেছেন, এখনও করছেন। যদি হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এই মনোভাব এখনই না বদলানো সম্ভব হয় তাহলে এর ফল ভারতের সামাজিক,ধর্মীয় এবং সাম্প্রদায়িক ব্যবস্থার জন্য ধ্বংসাত্মক হবে। এইসব ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত মানুষজনরা শুরুতে শুধুমাত্র একটা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দেয়, এবং ছবিতে যা তুলে ধরে সেটা সত্যিকারেরই স্বভাবজাতভাবে আপত্তিকর হয়, সেটা ধর্মীয় দিক থেকে হোক কিংবা সামাজিক দিক থেকে’।

 

বন্ধ করুন