বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Cough and Cold: রাতে ঠাণ্ডা, দুপুরে গরম, আবহাওয়ার পরিবর্তনে ঠাণ্ডা লেগেছে? দেখুন কী করণীয়

Cough and Cold: রাতে ঠাণ্ডা, দুপুরে গরম, আবহাওয়ার পরিবর্তনে ঠাণ্ডা লেগেছে? দেখুন কী করণীয়

ঠাণ্ডা গরম লাগার থেকে মুক্তির উপায়

Cough and Cold: হেমন্তের সময় দ্রুত আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। আর এই ঠাণ্ডা গরমে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঠাণ্ডা লাগলে কী করণীয় দেখুন।

ভোরের দিকে আজকাল বেশ শীত শীত করে। ফ্যান বন্ধ করে দিলেই ভালো হয় মনে হয়। এদিকে আবার দুপুরে যথেষ্ট গরম থাকে। বলা ভালো আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা দেখা যাচ্ছে এখন। আর এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে সকলেরই কম বেশি ঠাণ্ডা গরম লেগে যাচ্ছে। আর দ্রুত আবহাওয়া বদলের জন্য সর্দি, কাশির সমস্যা তো লেগেই আছে। জ্বরও হচ্ছে। গলা ব্যথায় ভুগছেন অনেকে। এক্ষেত্রে কী করণীয় দেখুন।

জ্বর হওয়া একরকম। কিন্তু সর্দি বড় বিরক্তিকর জিনিস। অনবরত যদি নাক থেকে কাঁচা জল পড়তে থাকে কাজ করতে ভীষণই সমস্যা হয়। আর সর্দি হওয়া মানে তার সঙ্গে মাথা ব্যথা থাকবেই। অনেকেই এই অবস্থায় টপাটপ ওষুধ খেয়ে ফেলুন আগু পিছু না ভেবে। কিন্তু এই অবস্থায় ওষুধ খাওয়া মোটেই কাজের কথা নয়। কারণ ওষুধ আপনাকে সাময়িক স্বস্তি দেবে। এবং আবার যে ঠাণ্ডা লাগবে না সেটা নিশ্চিত করে না। আর এত ওষুধ খেলে একাধিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

তাই ঠাণ্ডা লাগলে ওষুধের বদলে ঘরোয়া টোটকায় ভরসা রাখুন। এই আয়ুর্বেদিক টোটকা আপনাকে সর্দি গরমির হাত থেকে রক্ষা করবে। একই সঙ্গে এগুলো মেনে চললে রোগ বালাই দূরে থাকবে।

দেখুন হেমন্তের এই দ্রুত আবহাওয়া বদলের কারণে ঠাণ্ডা গরম লাগার থেকে মুক্তির উপায়।

১. আদা চা: রোজ আদা চা খান। হাঁচি, কাশি, সর্দি সহ একাধিক রোগের জম হচ্ছে আদা চা। আদায় থাকা জিঞ্জারেল জ্বলন কমাতে সাহায্যে করে। রোজ আদা দেওয়া চা গরম গরম খেলে সর্দি কাশি দূর হয় এবং গলা ব্যথা কমে।

২. দুধ এবং হলুদ: রোজ রাতে ঘুমানোর আগে দুধ খান, তাতে দিয়ে দিন সামান্য হলুদ। হলুদে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান আমাদের রোগ ব্যাধির হাত থেকে বাঁচায়। দুধ প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম জোগায় দেহে। ফলে এটা রোজ খেলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

৩. হালকা গরম জলে লেবুর রস এবং মধু: এটা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। একই সঙ্গে এই জল খেলে গলা ব্যথা, সর্দি কাশির সমস্যাও দূর হয়। লেবুর রস কফ জমতে দেয় না, একই সঙ্গে মধু গলা ব্যথা কমায়। তাই এই সময় এই পানীয় যে দারুন উপকারী সেটা বলাই বাহুল্য।

৪. আমলকী: আমলকীতে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট প্রচুর মাত্রায়। সঙ্গে থাকে ভিটামিন সি, মিনারেল, ইত্যাদি। আমলকী আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিক্যালের হাত থেকে রক্ষা করে আমাদের। তাই যে কোনও জ্বলনের হাত থেকেও মুক্তি মিলবে এই ফল খেলে। হেমন্ত হোক বা শীত নিয়মিত একটা করে আমলকী খান।

৫. তিসি বীজ: ওমেগা থ্রি রয়েছে এই বীজে যা আমাদের হার্টের জন্য ভীষণ ভালো। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এই বীজ। রোজ দুই চামচ বীজ জলে ফুটিয়ে সেটা খান উপকার পাবেন।

বন্ধ করুন