বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Home of Time: এই শহরে বাস করে সময়, এমন অদ্ভুত শহর কোথায় আছে জানেন কি
সময়ে যে শহরে বাস করে। (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)

Home of Time: এই শহরে বাস করে সময়, এমন অদ্ভুত শহর কোথায় আছে জানেন কি

  • শহরের প্রতিটি বাড়িতেই নাকি বাস করে সময়। শহরটির ইতিহাসের সঙ্গে যোগ আছে এই কথাটির। 

এই শহরে মানুষ তো আছেই, আছে হাজারো পাখি, পোকা, অন্যান্য প্রাণীও। কিন্তু তার সঙ্গে এ শহরের আর এক বাসিন্দা হল সময়। কেন এমন বলা হয় জানেন কি?

শহরটি জার্মানিতে। নাম গ্লাসহ্যুটে। এখানকার স্লোগান, ‘এই শহর সময়ের ঘরবাড়ি!’ কারণ সেখানে জার্মানির সবচেয়ে বেশি ঘড়ি কারখানা আছে। ১৮৪৫ সালে সেখানে প্রথম মেকানিক্যাল ঘড়ি তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে নয়টি ঘড়ি কারখানায় প্রায় ১,৭০০ জন কাজ করেন।

জার্মানির ড্রেসডেন থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্লাসহ্যুটে। ১৮৪৫ সালে স্যাক্সোনি সরকারের কাছ থেকে পাওয়া ঋণ দিয়ে গ্লাসহ্যুটেতে প্রথম ঘড়ির কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ফার্দিনান্দ আডল্ফ লাঙ্গে।

গ্লাসহ্যুটে স্টেশনের সঙ্গে ‘নমোস' ঘড়ি কারখানার একটি ভবন আছে। ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি এখন জার্মানির সবচেয়ে বড় ঘড়ি নির্মাণকারী সংস্থা। কোম্পানির ডিজাইন ও ব্র্যান্ড প্রধান ইয়োডিথ বরোভস্কির কথায়, ‘১৭৫ বছর আগে ঘড়ি নির্মাতারা যেভাবে কাজ করতেন ,এখনও আমরা তার অনেক কিছু ব্যবহার করি। এখনও অনেক কাজ যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া হাতে করা হয়। কিন্তু যে জায়গায় হাতের চেয়ে উচ্চপ্রযুক্তি ব্যবহার করলে মান ভালো হবে বলে মনে হয়, সেখানে আমরা তাই করি। যেমন এমন কিছু যন্ত্রাংশ আছে, যেগুলি চুলের চেয়েও পাতলা। অর্থাৎ মাইক্রোমিলিমিটার পর্যায়ের যন্ত্রাংশ। সেগুলি নিয়ে কাজের জন্য আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি। এভাবে আধুনিকতা আর ঐতিহ্যের মিলে এখানে কাজ হয়।

নমোসের ক্রনোমেট্রি বিভাগে খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হয় কর্মীদের। বাউহাউস ম্যুভমেন্ট থেকে ঘড়ির নক্সার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন এই কোম্পানির ডিজাইনাররা। দেশের বাইরেও নমোসের কয়েকটি অফিস আছে। ৫২ দেশে ঘড়ি রপ্তানি করে এই সংস্থা।

হানাহ হুমেল/জেডএইচ

বন্ধ করুন