বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > The Skeleton of A 'Vampire' Was Found: পাওয়া গেল ‘ভ্যাম্পায়ার’-এর কঙ্কাল! তাহলে ভয়ের গল্পগুলি সত্যি? পালটাতে পারে ধারণা

The Skeleton of A 'Vampire' Was Found: পাওয়া গেল ‘ভ্যাম্পায়ার’-এর কঙ্কাল! তাহলে ভয়ের গল্পগুলি সত্যি? পালটাতে পারে ধারণা

পাওয়া গেল ‘ভ্যাম্পায়ার’-এর কঙ্কাল। 

The Skeleton of A 'Vampire' Was Found: সত্যিই কি ছিল বা আছে ভ্যাম্পায়ার বা রক্তোচোষা বাদুর? প্রাচীন এক কঙ্কাল বলছে, ইতিহাসের অদ্ভুত এক অধ্যায়ের কথা। 

আমেরিকার কানেকটিকাট এলাকায় পাওয়া গিয়েছে কঙ্কালটি। এটি এমন এক কঙ্কাল, যাকে ভয়ের গল্পে ‘ভ্যাম্পায়ার’ বা ‘রক্তচোষা’ বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। এই কঙ্কাল নিয়ে গবেষণা করে পুরাতত্ত্বিকরা যা জানতে পেরেছেন, তা বদলে দিতে পারে বইয়ের পাতা বা সিনেমার পর্দার ভ্যাম্পায়ারদের সম্পর্কে আমাদের ধারণা।

প্রথমেই বলা যাক, এই কঙ্কালটি সম্পর্কে। কী কী জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা?

কার কঙ্কাল? কোথা থেকে এল?

পরীক্ষা করার পরে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই কঙ্কালটি ১৯ শতকের গোড়ার দিকের এক ব্যক্তির। সেই সময়ে আমেরিকার একটি জায়গা, নিউ ইংল্যান্ডে খুব সম্ভবত এই ব্যক্তি বাস করতেন। কবরের গায়ে লেখা নাম থেকে দেখা গিয়েছে, তাঁর নাম ছিল জন বারবার।

ভ্যাম্পায়ার কেন?

কবরের ভিতরে যখন জনের দেবাবশেষ পাওয়া যায়, তখন তাঁর হাত দু’টি ছিল বুকের উপর। এক প্রকার ক্রশ আকৃতির করে রাখা ছিল হাত দু’টি। অনেকটি ইংরেজিক এক্স (X)অক্ষরের মতো করে রাখা ছিল হাত দু’টি। সাধারণত সেই সময়ে যাঁদের ভ্যাম্পায়ার বলে অপবাদ দেওয়া হত, তাঁরা মারা গেলে বা তাঁদের হত্যা করার পরে, কবরের ভিতরে হাত দু’টি এভাবেই রেখে দেওয়া হত। সেখান থেকেই পুরাতাত্ত্বিকদের মত, এই ব্যক্তিকেও ভ্যাম্পায়ার অপবাদেই হত্যা করা হয়।

কী বলছে আবিষ্কার?

পুরাতাত্ত্বিকরা জনের কঙ্কালটি নিয়ে গবেষণা করে তার চেহারা, তার গায়ের রং, চুলের রং, জন্মবৃত্তান্ত থেকে অসুখ-বিসুখ— সব কিছুরই সন্ধান পেয়েছেন। কী কী দেখা গিয়েছে সেখানে? দেখা গিয়েছে, জন মৃত্যুর সময়ে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

‘ভ্যাম্পায়ার’ জন
‘ভ্যাম্পায়ার’ জন

কী কী সমস্যা হয়েছিল তাঁর?

জানা গিয়েছে, যক্ষার কারণে তাঁর গায়ের রং সাদাটে হয়ে যায়। তার ওজন কমে যায়। তিনি দুর্বলতার কারণে বিশেষ বাইরে বেরোতে পারতেন না। আর কাশির সঙ্গে মুখ দিয়ে রক্ত উঠত। এই সব উপসর্গগুলি এক জায়গায় দেখে বিজ্ঞানীদের মনে হয়েছে, যক্ষা সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে এই সব লক্ষণ দেখে তাঁকে ‘ভ্যাম্পায়ার’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়।

কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছোলেন বিজ্ঞানীরা?

ভয়ের গল্পে যে রক্তচোষা বা ভ্যাম্পায়ারদের উল্লেখ রয়েছে, তাঁদের অনেকেই আসলে এমন কোনও অসুখে আক্রান্ত ছিলেন। আর সেটিই তাঁদের সম্পর্কে ভুল ধারণার জন্ম দিয়েছিল বলে বিজ্ঞানীদের অনুমান।

আগে এমন আন্দাজ করা যায়নি কেন?

এই প্রথম বার এণন কোনও কঙ্কাল পাওয়া গেল, যার বুকের উপর এইভাবে হাত দু’টি রাখা আছে। আর তা থেকেই বিজ্ঞানীদের পক্ষে আন্দাজ করা সহজ হয়েছে, এই ব্যক্তিকে ভ্যাম্পায়ার সন্দেহে হত্যা করা হয়। আগামী দিনে ভ্যাম্পায়ার গল্প পাঠ করা বা সিনেমা দেখার আগে তাদের সম্পর্কে এই তথ্যটি অনেকেই হয়তো এবার মনে রাখবেন। হয়তো তাতে ভয়ও কিছুটা কমবে।

বন্ধ করুন