বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > 'গোরক্ষার নামে গণপিটুনি চলতে পারে না', বজরঙ নেতাকে জেলে পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট, ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স
সুপ্রিম কোর্ট, ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স

'গোরক্ষার নামে গণপিটুনি চলতে পারে না', বজরঙ নেতাকে জেলে পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

  • ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর বুলন্দশহরের সায়ানায় গণপিটুনিতে খুন করা হয়েছিল পুলিশ ইন্সপেক্টরকে। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত বজরঙ নেতা ২০১৯ সাল থেকে জামিনে মুক্ত ছিল। 

গোহত্যা রোখার নামে গণপিটুনির অনুমতি দেওয়া যায় না। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট একটি মামলার শুনানি চলাকালীন এমনই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। ২০১৮ সালে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর জেলায় একজন পুলিশ অফিসারকে গণপিটুনির এক ঘটনায় হত্যা করা হয়েছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতেই শুনানি চলছিল সোমবার। ঘটনায় অভিযুক্ত বজরঙ দলের নেতাকে সুপ্রিম কোর্ট জেলে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেয় সোমবার।

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত বজরঙ দল নেতা ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই জামিনে মুক্ত ছিলেন। এর বিরোধিতায় নিহত পুলিশ ইন্সপেক্টর সুবোধ কুমার সিং-এর স্ত্রী রজনী সিং সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই অভিযুক্ত বজরঙ নেতাকে ফের জেলে ফেরত পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট।

এই বিষয়ে শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ বলেন, ‘বিষয়টি বেশ গুরুতর। এখানে গোহত্যার অজুহাতে একজন পুলিশ অফিসারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত নিজের হাতে আইন তুলে নিয়েছে। আমরা এসব চলতে দিতে পারি না। আমরা এই বিষয়ে নিশ্চিত যে আমরা কোনোভাবেই গণপিটুনির অনুমতি দিতে পারি না।’

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর বুলন্দশহরের সায়ানায় গোরক্ষার নামে গণপিটুনি ও একজনের খুনের ঘটনার তদন্তে যান পুলিশ পরিদর্শক সুবোধ কুমার সিং। নিকটবর্তী একটি গ্রামে গবাদি পশুর মৃতদেহ পাওয়া যাওয়ার পর এই সহিংসতা শুরু হয়েছিল। যোগেশরাজ এবং অন্যদের বিরুদ্ধে জনতাকে এই গণপিটুনিতে নেতৃত্ব দেওয়া এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো বস্তু এবং লাঠি দিয়ে পুলিশকে আক্রমণ করতে প্ররোচিত করার অভিযোগ উঠেছিল সেই সময়। এরপর যোগেশরাজকে গ্রেফতার করা হলেও ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সে জামিন পেয়ে গিয়েছিল।

 

বন্ধ করুন