বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > উপসর্গহীন ও স্বল্প করোনা রোগীদের চিকিৎসায় কার্যত সব ওষুধ বাদ কেন্দ্রের
উপসর্গহীন ও স্বল্প করোনা রোগীদের চিকিৎসায় কার্যত সব ওষুধ বাদ কেন্দ্রের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
উপসর্গহীন ও স্বল্প করোনা রোগীদের চিকিৎসায় কার্যত সব ওষুধ বাদ কেন্দ্রের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

উপসর্গহীন ও স্বল্প করোনা রোগীদের চিকিৎসায় কার্যত সব ওষুধ বাদ কেন্দ্রের

  • কেন্দ্র নির্দেশ দিয়েছে, সিটি স্ক্যান-সহ কম উপসর্গ এবং উপসর্গহীন করোনা রোগীদের যেন অকারণে কোনও টেস্ট করতে বলা না হয়।

করোনাভাইরাস আক্রান্তের চিকিৎসায় ওষুধ ব্যবহারের উপর রাশ টানল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কম উপসর্গ এবং উপসর্গহীন করোনা রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে কার্যত সব ওষুধ বাদ দেওয়া হল। শুধুমাত্র অ্যান্টিপাইরেটিক (জ্বর) এবং অ্যান্টিটাউসিভ (সর্দি-কার্শি) দেওয়া যাবে বলে জানানো হল। সেইসঙ্গে কেন্দ্র নির্দেশ দিয়েছে, সিটি স্ক্যান-সহ কম উপসর্গ এবং উপসর্গহীন করোনা রোগীদের যেন অকারণে কোনও টেস্ট করতে বলা না হয়।

গত ২৭ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেলফ সার্ভিসেসের (ডিজিএইচএস) তরফে করোনা চিকিৎসা সংক্রান্ত নির্দেশিকা সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, মাঝারি ও স্বল্প উপসর্গের করোনা রোগীদের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, আইমেকটিন, ডক্সিসাইক্লিন, জিঙ্কের মতো ওষুধও দিতে পারবেন না চিকিৎসকরা। 

নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, উপসর্গহীনদের রোগীদের ক্ষেত্রে কোনও ওষুধের প্রয়োজন নেই। কো-মর্বিডিটি থাকা অন্যান্য রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধ চালিয়ে যেতে হবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘টেলিফোনে বিশেষজ্ঞদের (টেলি-কনসালটেশন) পরামর্শ নেওয়ার জন্য রোগীদের আর্জি জানানো হয়েছে। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্বের মতো করোনাভাইরাস সুরক্ষা বিধি মেনে চলতে হবে।’ পাশাপাশি উপযুক্ত পরিমাণে জলপান খেতে হবে। মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যকর ডায়েট। ভিডিয়ো কল, ফোনের মাধ্যমে রোগী ও পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ রাখার আর্জি জানানো হয়েছে, যাতে করোনা আক্রান্তের ইতিবাচক মনোভাব বজায় থাকে, নেতিবাচক মনোভাব বা অবসাদ তাঁকে যেন গ্রাস করতে না পারে। উপসর্গহীনদের ক্ষেত্রে টেস্টের বিষয়ে বলা হয়েছে, ‘সাধারণত এই পর্যায়ে কোনও তদন্ত করতে হয় না।’

কম উপসর্গ থাকলে করোনা রোগীদের নিজেদের জ্বর, শ্বাসকষ্ট, অক্সিজেনের সম্পৃক্ততা বা অন্যান্য শারীরিক বিষয়ের নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মাত্রায় অ্যান্টিপাইরেটিক (জ্বর) এবং অ্যান্টিটাউসিভ (সর্দি-কার্শি) ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘করোনাভাইরাসের জন্য নির্দিষ্ট কোনও ওষুধের প্রয়োজন নেই আর। যদি উপসর্গ থেকে যায় বা শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়, তবে পরবর্তী পদক্ষেপের প্রয়োজন আছে।’

বন্ধ করুন