বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > রাত জেগে কাজ করতে হয়, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর ফুরসত নেই-CJI রামানা
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামনা। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে পিটিআই)

রাত জেগে কাজ করতে হয়, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর ফুরসত নেই-CJI রামানা

  • এ প্রসঙ্গে নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝে, আমি ভাবি যে আমার নাতি-নাতনিরা আমাকে আদৌও চিনতে পারবে তো!’ শুধু তাই নয়, একটি মামলার রায়দান করতে গেলেও একজন বিচারক বা বিচারপতিকে যে কতটা পরিশ্রম করতে হয় সে কথাও তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি। 

অনেকেই ভাবেন বিচারপতি বা বিচারকদের জীবন অনেক সহজ। কিন্তু, সেটা যে ঠিক নয় তা ব্যক্ত করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা। রাঁচির ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ স্টাডি অ্যান্ড রিসার্চ ইন ল’তে প্রধান বিচারপতি একটি অনুষ্ঠানের যোগ দিয়ে বিচারকের জীবন যে কতটা কঠিন তা নিজের বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘একজন বিচারকের জীবন সহজ নয়। বিচারকরা সপ্তাহান্তে এবং ছুটির দিনেও কাজ করেন। বেশিরভাগ সময়েই গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক অনুষ্ঠানসহ জীবনের অনেক আনন্দ উপভোগ করতে পারেন না।’ এ প্রসঙ্গে নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝে, আমি ভাবি যে আমার নাতি-নাতনিরা আমাকে আদৌও চিনতে পারবে তো!’ শুধু তাই নয়, একটি মামলার রায়দান করতে গেলেও একজন বিচারক বা বিচারপতিকে যে কতটা পরিশ্রম করতে হয় সে কথাও তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘প্রতি সপ্তাহে ১০০ টিরও বেশি মামলার জন্য প্রস্তুত হতে হয়। উভয়পক্ষের যুক্তি শোনার পর স্বাধীন গবেষণা করে তবে মামলার রায়দান করা হয়।’

পাশাপাশি একজন সিনিয়র বিচারকের বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বও সামলাতে হয় বলে তিনি জানান। শুধু এখানেই শেষ নয়, তিনি বলেন, ‘একজন বিচারক বা বিচারপতিকে রাত জেগে মামলার নথি বই পড়ে নোট তৈরি করতে হয়। এর জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা কেটে যায়। বেশিরভাগ দিনেই মধ্যরাত্রি পেরিয়ে যায়।’

এছাড়াও, সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিচারকদের উপর ক্রমবর্ধমান হামলা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। এপ্রসঙ্গে দেশের বিচার বিভাগকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিচারকদের আরও হাতে বেশি ক্ষমতা প্রদান করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। প্রধান এ বলেন, ‘বিচার বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

বন্ধ করুন