বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিশুরা? গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশ WHO, AIIMS-এর
করোনা আক্রান্ত শিশু, অক্সিজেন পার্লারে অক্সিজেন নিচ্ছে এক শিশু। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
করোনা আক্রান্ত শিশু, অক্সিজেন পার্লারে অক্সিজেন নিচ্ছে এক শিশু। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিশুরা? গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশ WHO, AIIMS-এর

  • করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন শিশুরা। এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মনে।

করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন শিশুরা। এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মনে। এই পরিস্থিতিতে এবার একটি গবেষণায় নামে এইমস এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেই গবেষণায় শিশুদের মধ্যে উচ্চ হারে সেরো পজিটিভিটি খুঁজে পাওয়া যায়। অর্থাৎ, করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।

গবেষণায় পাঁচ জায়গার মোট ১০ হাজার শিশুর উপর এই পরীক্ষা চালানো হয়। এই পরীক্ষার জন্য অনুমোদন দেয় এইমস (নয়াদিল্লি) নীতি নির্ধারক কমিটি। গবেষণায় এইমস-এর সঙ্গে দিয়েছিল হু। এই গবেষণার অংশ নেওয়া ৪ হাজার ৫০৯ জন শিশুদের সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া গিয়েছে এখনও। দিল্লি (শহুরে), দিল্লি (গ্রামীণ), ভুবনেশ্বর, গোরক্ষপুর এবং আগরতলার শিশুদের উপর এই পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। ELISA কিট ব্যবহার করে এই শিশুদের অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায় যে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সেরো পজিটিভিটি হারের পার্থক্য খুব বেশি নয়। যার অর্থ, শিশুরা যে প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এর কোনও প্রমাণ মেলেনি গবেষণায়। এমনকি শিশুদের মধ্যে সেরো পজিটিভিটি হার প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে বেশি, অর্থ, শিশুরা প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে বেশি সুরক্ষিত।

গবেষণায় দেখা যায়, গোরক্ষপুরের শিশুদের মধ্যে সেরো পজিটিভিটি হার ৮৭.৯ শতাংশ। দক্ষিণ দিল্লিতে শিশুদের মধ্যে সেরো পজিটিভিটি হার ৭৪.৭ শতাংশ। ফরিদাবাদে শিশুদের মধ্যে সেরো পজিটিভিটি হার ৫৯.৩ শতাংশ। আগরতলায় শিশুদের মধ্যে সেরো পজিটিভিটি হার ৫১.৯ শতাংশ। সার্বিক ভাবে শিশুদের মধ্যে সেরো পজিটিভিটি হার ৬২.৩ শতাংশ।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে এইমস প্রধান জানিয়েছিলেন, দেশে দ্বিতীয় করোনা ঢেউয়ে যেসকল করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত বাচ্চাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল,  তাদের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ শিশুদের হয় কোমর্বিডিটি ছিল নয়তো রোগপ্রতিরোধক ক্ষমতা কম ছিল। আর যে সব বাচ্চাদের শারীরিক অবস্থা ভালো তারা হাসপাতালে যায়নি, সামান্য অসুস্থতা বাড়িতেই কাটিয়ে উঠেতে পেরেছে।

বন্ধ করুন