বাড়ি > ঘরে বাইরে > প্যাংগংয়ে অপদস্থ হয়ে ‘কান্নাকাটি’ শুরু চিনের, দাবি ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের
প্যাংগংয়ে অপদস্থ হয়ে ‘কান্নাকাটি’ শুরু শি জিনপিংদের, দাবি ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার)
প্যাংগংয়ে অপদস্থ হয়ে ‘কান্নাকাটি’ শুরু শি জিনপিংদের, দাবি ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার)

প্যাংগংয়ে অপদস্থ হয়ে ‘কান্নাকাটি’ শুরু চিনের, দাবি ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের

  • ভারতীয় সেনার তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, প্ররোচনা দিয়েছিল চিনা সেনাই।

প্যাংগং সো লেকে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য ভারতকে দুষল চিন। একইসঙ্গে পূর্ব লাদাখের সেই এলাকা থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানাল বেজিং।

সোমবার সন্ধ্যার শেষ লগ্নে একটি বিবৃতি জারি করে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড অভিযোগ করে, ভারতীয় জওয়ানরা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করেছিলেন। তাঁরা প্যাংগং সো লেকের দক্ষিণ তীর থেকে রেকিং পাস দিয়ে সীমান্ত টপকে ছিলেন। একইসঙ্গে হুঁশিয়ারির সুরে জানানো হয়েছে, ‘পালটা ব্যবস্থা’ নিচ্ছে চিনা সেনা।

ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের মুখপাত্র সিনিয়র কর্নেল ঝ্যাঁ শুউলিকে উদ্ধৃত করে চিনের সরকারি সংবাদসংস্থা শিনহুয়া বলেছে, ‘বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক বৈঠকে যে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল দু'পক্ষ, তা ভেঙেছে ভারতীয় সেনা এবং প্যাংগং সো লেকের দক্ষিণ তীর ও রেকিং পাসের কাছে আবারও অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করেছে। চরম প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে এবং সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি করেছে।’ 

গত ১৫ জুন গালওয়ান সংঘর্ষের পরও একই ধরনের বিবৃতি জারি করেছিল ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড। শুউলি বলেন, ‘ভারতের পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছে চিন। যা চিনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে, চিন-ভারত সীমান্ত এলাকায় গুরুতরভাবে শান্তি ও স্থিতাবস্থা নষ্ট করে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এবং চিনের আনুগত্যের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে।’

তবে বিবৃতিতে কোনও বৈঠকের উল্লেখ করা হয়নি। যা শনিবার ও রবিবারের মধ্যবর্তী রাতে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর ডাকা হয়েছিল বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। বরং ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের মুখপাত্র বলেছেন, 'আমরা একনিষ্ঠভাবে ভারতকে অবিলম্বে নিজেদের জবরদখল করা জায়গা ছেড়ে দেওয়া, কঠোরভাবে বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং প্রতিশ্রুতির প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সীমান্তে বাহিনীকে সংযত করার আর্জি জানাচ্ছি। যাতে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত না হয়ে ওঠে।'

সোমবার দুপুর থেকে বেজিং ‘কান্নাকাটি’ শুরু করলেও ভারতীয় সেনার তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, প্ররোচনা দিয়েছিল চিনা সেনাই। সীমান্তের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য চিনা সেনা 'প্ররোচনামূলক সামরিক গতিবিধি' চালিয়েছে লাল ফৌজ। ভারতীয় সেনার বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্যাংগং সো লেকের দক্ষিণ তীরে চিনা সেনার গতিবিধি আগেই রুখে দিয়েছে ভারতীয় বাহিনী, আমাদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ করেছে এবং সীমান্তে একতরফাভাবে তথ্য পরিবর্তনের যে উদ্দেশ্য ছিল চিনের, তা আটকে দিয়েছে।’

একইসঙ্গে চিনকে সাবধান করে সেনার তরফে বলা হয়, ‘আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ভারতীয় সেনা। কিন্তু নিজেদের আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করার ক্ষেত্রেও (সেনা) সমানভাবে বদ্ধপরিকর।’

বন্ধ করুন