বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > China Coronavirus Deaths: ‘একমাসে কোভিডে মৃত ৬০ হাজার’, পরিসংখ্যান প্রকাশ করে আমেরিকাকে ‘তোপ’

China Coronavirus Deaths: ‘একমাসে কোভিডে মৃত ৬০ হাজার’, পরিসংখ্যান প্রকাশ করে আমেরিকাকে ‘তোপ’

চিনে গত একমাসে করোনায় মৃত্যু ৬০ হাজারের। (REUTERS)

চিনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের মেডিক্যাল বিষয়ক ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর জিয়াও ইয়াহুই জানান, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে মাত্র ৫,৫০৩ জন স্বাস জনিত সমস্যার কারণে মারা গিয়েছেন। বাকি ৫৪,৪৩৫ জনই কোমর্বিডিটির কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। 

বিগত প্রায় একমাস ধরে কোভিড অতিমারি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে চিনে। কোভিড লকডাউন তুলে দেওয়ার পর থেকেই সেদেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নানান রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। কোভিডে কয়েক হাজার রোগীর মৃত্যুর পূর্বাভাস করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এই সবের মাঝেই শি জিনপিং প্রশাসনের অস্বস্তি কাটাতে কোভিড পরিসংখ্যান প্রকাশই বন্ধ করে দিয়েছিল চিন। এই আবহে দীর্ঘ প্রায় এক মাস পর ফের করোনা পরিসংখ্যান প্রকাশ করল চিন। তাতে বলা হয়েছে, গত ৮ ডিসেম্বর থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চিনে ৬০ হাজার কোভিড আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। (আরও পড়ুন: শীঘ্রই করোনার XBB.1.5 রূপ আতঙ্ক ছড়াতে শুরু করবে ইউরোপে, দাবি স্বাস্থ্য সংস্থার)

এর আগে চিনের প্রকাশিত কোভিড পরিসংখ্যান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। এই আবহে একমাস পর একলাফে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬০ হাজার হল। তবে এই সংখ্যা নিয়েও সংশয় রয়েছে অনেকের মনেই। এদিকে চিনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের মেডিক্যাল বিষয়ক ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর জিয়াও ইয়াহুই জানান, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের মধ্যে মাত্র ৫,৫০৩ জন স্বাস জনিত সমস্যার কারণে মারা গিয়েছেন। বাকি ৫৪,৪৩৫ জনই কোমর্বিডিটির কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। এদিকে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, মৃতদের গড় বয়স ৮০.৩ বছর। মৃতদের মধ্যে ৯০ শতাংশেরই বয়স ৬৫ বছরের ওপর।

এই তথ্য এমন এক সময় প্রকাশ করা হল, যখন চিনকে কোভিড নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিল আন্তর্জাতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বহু দেশই চিন থেকে ভ্রমণকারী বিমানাত্রীদের নিয়ে কড়াকড়ি নিয়ম কার্যকর করেছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ বহু দেশই বেজিংকে করোনা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করতে বলেছিল। এদিকে নিজেদের পরিসংখ্যান প্রকাশ করার পরই এবার আমেরিকার ওপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে বেজিং। তাদের দাবি, XBB.1.5 সাবভ্যারিয়েন্টের বাড়বাড়ন্তের জেরে আমেরিকায় করোনা আক্রান্ত বা মৃতদর 'আসল তথ্য' প্রকাশ করা উচিত।

এদিকে ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছে, করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের XBB.1.5 রূপটি কয়েক মাসের মধ্যেই ইউরোপে প্রভাবশালী স্ট্রেন হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে আমেরিকার ৪৩ শতাংশ সংক্রমিতের শরীরেই রয়েছে XBB.1.5 স্ট্রেন। প্রসঙ্গত, করোনার XBB.1.5 সাবভেরিয়েন্টটি এখনও পর্যন্ত করোনার সবথেকে বেশি সংক্রামক স্ট্রেন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃদ্ধ এবং টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষতি করতে পারে এই সাবভেরিয়েন্ট।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন