বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‘‌এত ধৈর্য্যশক্তি পান কোথা থেকে?’‌, ইডি’‌র প্রশ্নের জবাব দেন রাহুল গান্ধী
কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।

‘‌এত ধৈর্য্যশক্তি পান কোথা থেকে?’‌, ইডি’‌র প্রশ্নের জবাব দেন রাহুল গান্ধী

  • গভীর রাত পর্যন্ত ইডির দফতরে বসে লাগাতার জেরার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। বিরক্ত হননি। বরং হাসি মুখেই একের পর এক জবাব দিয়েছেন। হ্যাঁ, তিনি কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। কঠিন সময় কাটিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তা সত্ত্বেও বিজেপি বিরোধিতায় সুর নরম করতে নারাজ এই কংগ্রেস নেতা।

পাঁচদিনে ৫০ ঘণ্টারও বেশি জেরা করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ইডি। অসুস্থ মাকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইডির দফতরে বসে লাগাতার জেরার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। বিরক্ত হননি। বরং হাসি মুখেই একের পর এক জবাব দিয়েছেন। হ্যাঁ, তিনি কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। কঠিন সময় কাটিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তা সত্ত্বেও বিজেপি বিরোধিতায় সুর নরম করতে নারাজ এই কংগ্রেস নেতা। এবার সামনে আনলেন বিস্ফোরক তথ্য।

ঠিক কী বলেছেন কংগ্রেস সাংসদ?‌ দীর্ঘ ইডি’‌র জেরা পর্ব নিয়ে তিনি আজ, বুধবার বলেন, ‘‌শেষদিনে ইডি আধিকারিকরা আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, এত ধৈর্য্যশক্তি পান কোথা থেকে?‌ আমি ধৈর্য্যের সঙ্গে তাদের সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম। ২০০৪ সাল থেকে আমি কংগ্রেসে আছি। আর ধৈর্য্য আমাদের ভিতর অভ্যাসের সঙ্গে তৈরি। পার্টির প্রত্যেক নেতা সেটা বুঝতে পারে।’‌ তবে তিনি আজ এও বলেন, ‘‌পাঁচবার কেন, যতবার খুশি ডাকুক। আমাকে ইডি দিয়ে ভয় দেখানো যাবে না।’‌

আর কী ইডি–কে জানান রাহুল?‌ দীর্ঘ জেরা পর্বে যখন তাঁর এই শক্তি নিয়ে জানতে চাওয়া হয় তিনি বলেন, ‘‌আমি ভেবেছিলাম তাদের আসল কথাটা জানাই। কিন্তু বলেছি অন্য কিছু। আমি তাদের বললাম, আমি বিপাসনা করি। তাই দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু আসল কারণ হল, আমি ওই গরে একা বসেছিলাম না। প্রত্যেক কংগ্রেস নেতা ছিলেন আমার সঙ্গে। একজন নেতা ক্লান্ত হতে পারেন, কিন্তু হাজার হাজার নেতা ক্লান্ত হন না।’‌

এরপরই অগ্নিপথ প্রসঙ্গে সুর সপ্তমে তোলেন রাহুল গান্ধী। ওয়াইনারের সাংসদ বলেন, ‘‌আমরা কৃষি আইনের সময়ও বলেছিলাম, কেন্দ্রকে এই আইন প্রত্যাহার করতেই হবে। বাস্তবে সেটাই করতে হয়েছিল। এবার বলব, কেন্দ্রকে অগ্নিপথ প্রকল্প প্রত্যাহার করতে হবেই। কংগ্রেস কেন্দ্রীয় সরকারকে দিয়ে এই প্রকল্প প্রত্যাহার করিয়েই ছাড়বে। দেশের যুব সমাজ এই বিষয়ে আমাদের পাশে রয়েছে। অগ্নিপথ প্রকল্পে আসলে দেশের যুবদের শিরদাঁড়া ভেঙে যাবে। সেই সিদ্ধান্তই নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। দেশের সেনাবাহিনীকে অসম্মান করছেন প্রধানমন্ত্রী।’‌

বন্ধ করুন