বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কর্মরত অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হননি, তাই ক্ষতিপূরণ পাবে না ১০ পুলিশকর্মীর পরিবার
মুম্বই পুলিশ। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)
মুম্বই পুলিশ। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)

কর্মরত অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হননি, তাই ক্ষতিপূরণ পাবে না ১০ পুলিশকর্মীর পরিবার

  • সরকার নতুন নির্দেশ দেয়, সে সকল পুলিশকর্মীই ক্ষতিপূরণ পাবেন যাঁরা করোনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা মৃত্যুর ১৪ দিন আগে কোভিড মোকাবিলার কাজ করেছেন।

বিজয় কুমার যাদব

সারা দেশের মতো মহারাষ্ট্রেও করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন বহু পুলিশকর্মী। সংখ্যাটা এ পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৭। তার মধ্যে ৮৪ জন শুধু মুম্বইয়েরই বাসিন্দা। তবে এর মধ্যে ১০ জন পুলিশকর্মীর পরিবারকে সরকারি ক্ষতিপূরণের ৫০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে না বলে আইপিএসের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন।

কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, কর্মরত অবস্থায় ওই ১০ পুলিশকর্মী সংক্রমিত হননি। তাই তাঁদের করোনাযোদ্ধা হিসেবে অভিহিত করাও যাবে না। অতএব তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে বারণ করা হয়েছে, কারণ কেবল কর্মরত অবস্থায় করোনায় মৃত পুলিশকর্মীর পরিবারই ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য।

মহামারী শুরুর প্রধাম দিকে মহারাষ্ট্রে একের পর এক পুলিশকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হতে থাকেন। পুলিশ মহলে সংক্রমণ এতটাই দ্রুত বাড়ছিল যে উর্দিধারীদের বেশিরভাগই ভয় পেয়ে যায়। বাড়তে থাকে আতঙ্ক। তাই সেই মুহূর্তে উৎসাহ বাড়াতে করোনায় মৃত পুলিশকর্মীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। বলা হয়, কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত প্রত্যেক পুলিশকর্মীর পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। আর এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে আরও ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয় যা পুলিশ কল্যাণ তহবিল থেকে দেওয়া হবে।

মৃত পুলিশকর্মীদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করার জন্য নথিপত্র তৈরি করার সময় আধিকারিকরা লক্ষ্য করেন, এমন কিছু মৃত পুলিশকর্মী রয়েছেন যাঁরা কর্মরত অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হননি অর্থাৎ তাঁদের পরিবার আদৌ এই ক্ষতিপূরণের যোগ্য নয়। সরকার নতুন নির্দেশ দেয়, সে সকল পুলিশকর্মীই ক্ষতিপূরণ পাবেন যাঁরা করোনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা মৃত্যুর ১৪ দিন আগে কোভিড মোকাবিলার কাজ করেছেন।

জানা গিয়েছে, যে ১০ মৃত পুলিশকর্মী কর্মরত অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হননি তাঁদের সকলেই মুম্বইয়ের বাইরের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন সাঙ্গালি জেলার সঞ্জয় নগর থানার এএসআই। বিলাস গেনু কাচারে নামে ওই পুলিশকর্মী গত বছর অক্টোবর থেকে কাজে যোগ দেননি। এবং তিনি মদ্যপ ছিলেন। বাথরুমে পড়ে যাওয়ার পর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট এলে জানা যায় যে তিনি কোভিড পজিটিভ ছিলেন। স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে তাঁর।

বন্ধ করুন