বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > লকডাউনের সময় EMI দিয়েছেন? ব্যাঙ্কের থেকে পাবেন ক্যাশব্যাক
উৎসবের মরুশমে ঋণগ্রহীতাদের জন্য স্বস্তির খবর শোনাল কেন্দ্র। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
উৎসবের মরুশমে ঋণগ্রহীতাদের জন্য স্বস্তির খবর শোনাল কেন্দ্র। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

লকডাউনের সময় EMI দিয়েছেন? ব্যাঙ্কের থেকে পাবেন ক্যাশব্যাক

  • উৎসবের মরশুমে ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড়সড় সুখবর শোনাল কেন্দ্র।

রাজীব জয়সওয়াল

উৎসবের মরশুমে ঋণগ্রহীতাদের জন্য স্বস্তির খবর শোনাল কেন্দ্র। শুক্রবার গভীর রাতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, ছ'মাসের মোরেটোরিয়াম সময়সীমার সময় দু'কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে চক্রবৃদ্ধি হারে যে সুদ ধার্য করা হয়েছিল, তা মকুব করা হচ্ছে। তার ফলে বাড়ি, শিক্ষা, অটোমোবাইল, ক্ষুদ্র, ছোটো এবং মাঝারি শিল্পের জন্য ঋণগ্রহীতা এবং ক্রেডিট কার্ডের যাঁদের বকেয়া আছে, তাঁরা সুবিধা পাবেন। 

অর্থ মন্ত্রকের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ‘অভূতপূর্ব এবং চূড়ান্ত কোভিড-১৯ পরিস্থিতির’ পরিপ্রেক্ষিতে ‘ছ'মাসের জন্য সাধারণ ও চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্যের ক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্যের প্রকল্পে’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত নির্দিষ্ট ঋণগ্রহীতারা সেই সুবিধা পাবেন।

নাম গোপন রাখার শর্তে অর্থ মন্ত্রকের এক আধিকারিক ‘হিন্দুস্তান টাইম’-কে জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের কাছে কেন্দ্র যে প্রতিজ্ঞা করেছিল, সেই মোতাবেক এই ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের সুবিধা প্রদান করা হবে এবং তাঁদের টাকা দেওয়া হবে।’

তিনি জানিয়েছেন, যাঁরা মোরেটোরিয়াম সুবিধা নেননি, তাঁরাও ঋণ মকুবের সুবিধা পাবেন। তবে তাঁদের ঋণের পরিমাণ দু'কোটি টাকার কম হবে। সেক্ষেত্রে তাঁদের আর্থিক সাহায্য বা ক্যাশব্যাক দেওয়া হবে। অর্থ মন্ত্রকের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাঁদের ঋণের পরিমাণ দু'কোটি টাকার কম (ঋণদাতা সংস্থার ক্ষেত্রে সব সুবিধা মিলিয়ে), তাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। তবে সেই সময়ের পর্যন্ত ঋণগ্রহীতার অ্যাকাউন্ট অনুৎপাদক সম্পদে (এনপিএ) হতে পারবে না। পাশাপাশি যাঁদের ঋণের পরিমাণ দু'কোটি টাকার বেশি হবে, তাঁরা আর্থিক সাহায্যের সুযোগ পাবেন না বলে জানানো হয়েছে। 

ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের টাকা প্রদান করবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি। তারপর কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে সেই টাকা ফেরত নেবে তারা। এই খাতে প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।

বন্ধ করুন