বাড়ি > ঘরে বাইরে > রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ভারত, আন্তর্জাতিক মহলকে কৃতজ্ঞতা মোদীর
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত ভারত (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)
রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত ভারত (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য রয়টার্স)

রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ভারত, আন্তর্জাতিক মহলকে কৃতজ্ঞতা মোদীর

  • কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে ভারত।

অষ্টমবারের জন্য রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হল ভারত। ভোটাভুটিতে ভারতের পক্ষে পড়েছে ১৮৪ টি ভোট। মাত্র আটটি ভোট ভারতকে সদস্য হিসেবে নির্বাচনের বিরোধিতায় পড়েছে। কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের সদস্যপদের জন্য আন্তর্জাতিক মহল যে অভূতপূর্ব সমর্থন করেছে, তার জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বিশ্ব শান্তি, সহনশীলতা এবং ন্যায় প্রচারের জন্য সব সদস্য দেশের সঙ্গে কাজ করবে ভারত।’

আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ভারতের দু'বছরের মেয়াদ শুরু হবে। সেই সময় ভারতের কী অবস্থান হবে, তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে ভারত। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ, আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আইএমএফ), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বহুপাক্ষিক সংগঠনে সংস্কারের পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে, যাতে সমসাময়িক বিশ্বের পরিস্থিতিতে সেই সংগঠনগুলি আরও ভালোভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।

ভোটাভুটির ফল সামনে আসার কিছুক্ষণ পর একটি ভিডিয়ো বার্তায় রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টি এস তিরুমূর্তি বলেন, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ভারত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হবে এবং আমরা নিশ্চিত যে করোনা ও করোনা-পরবর্তী পৃথিবীতে ভারত নেতৃত্ব এবং সংস্কার হওয়া বহুপাক্ষিক সিস্টেমে নতুন আঙ্গিক প্রদান করার কাজ চালিয়ে যাবে ভারত।’

এর আগে ১৯৫০-৫১, ১৯৬৭-১৯৬৮, ১৯৭২-১৯৭৩, ১৯৭৭-১৯৭৮, ১৯৮৪-১৯৮৫, ১৯৯১-৯২ এবং ২০১১-১২ সালে নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল ভারত। অষ্টম বারের জন্য নয়াদিল্লি থেকে একটি পৃথক বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, নর্মস (NORMS) বা নিউ ওরিয়েন্টেশন ফর ও রিফর্মড মাল্টিল্যাটারাস সিস্টেমের (সংস্কার হওয়া বহুপাক্ষিক সিস্টেমে নতুন আঙ্গিক) আওতায় পাঁচটি বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হবে। সেগুলি হল - উন্নয়নের নয়া সুযোগ, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদে উপযুক্ত পদক্ষেপ, বহুপাক্ষিক সংগঠনের সংস্কার, আন্তর্জাতিক শান্তি এবং সুরক্ষার ক্ষেত্রে সর্বাঙ্গীন পদক্ষেপ এবং মানবিতকতার ছোঁয়ায় প্রযুক্তি।

বন্ধ করুন