বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > গোগরা-হটস্প্রিং থেকে সেনা সরিয়ে নিতে আরও আলোচনা, ইতিবাচক ১৬ ঘণ্টার ভারত-চিন বৈঠক
প্যাংগং সো লেকে চলছে সেনা সরানোর প্রক্রিয়া। (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)
প্যাংগং সো লেকে চলছে সেনা সরানোর প্রক্রিয়া। (ফাইল ছবি, সৌজন্য রয়টার্স)

গোগরা-হটস্প্রিং থেকে সেনা সরিয়ে নিতে আরও আলোচনা, ইতিবাচক ১৬ ঘণ্টার ভারত-চিন বৈঠক

  • এক ভারতীয় সেনার আধিকারিক জানিয়েছেন, ডেপস্যাঙে টহলদারির অধিকারের বিষয়ে যে সমস্যা আছে, তা নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন।

শিশির গুপ্ত

এখনই গোগরা-হটস্প্রিং থেকে সেনা সরানোর বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হল না। তবে ভারত এবং চিনের মধ্যে দশম দফার সামরিক কমান্ডার পর্যায়ের ম্যারাথন বৈঠক ইতিবাচকভাবেই শেষ হল। সে বিষয়ে আগামিদনে খুঁটিনাটি আলোচনা চালানো হবে।

লাদাখে ১,৫৯৭ কিলোমিটারের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর যে সমস্যা আছে, তা সমাধানের জন্য একটি রূপরেখা তৈরির বিষয়ে একমত হয়েছেন ভারতীয় এবং চিনা সেনার প্রতিনিধিরা। সেই বৈঠকের বিষয়ে ভারতীয় সেনার এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, ‘১৬ ঘণ্টার আলোচনা ভালোভাবেই কেটেছে। তবে গোগরা-হট স্প্রিংয়ে সেনা সরানো এবং ডেপস্যাঙে টহলদারির অধিকারের বিষয়ে যে সমস্যা আছে, তা নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন আছে। ’

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, শিয়কের শাখানদী চ্যাং চেম্মোর তীরে অবস্থিত গোগরা-হট স্প্রিংয়ের সংঘাতপূর্ণ এলাকা থেকে সেনা সরানোর বিষয়টি কণ্টকপূর্ণ হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে শিয়কের অপর শাখানদী খুঙরাং বরাবর বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে ধাপে ধাপে সমাধান করতে হবে। আর ২০১৩ সাল থেকেই ডেপস্যাং নিয়ে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সঙ্গে সমস্যা চলছে ভারতের। রাকি এবং জীবন নুল্লার প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়ে প্যাট্রলিং পয়েন্ট ১০ থেকে ১৩ পর্যন্ত ভারতীয় সেনাকে বের করে দেওয়া চেষ্টা করেছে বেজিং। ভারতীয় সেনা অবশ্য দাবি করেছে, ওই এলাকায় টহলদারি চালানো হয়। তবে ডেপস্যাংয়ের বিষয়টি যথেষ্ট সংঘাতপ্রবণ। এমনকী ভবিষ্যতে সেখানে সামরিক উত্তেজনা তৈরির শঙ্কাও আছে।

এদিকে, প্যাংগং সো থেকে সেনা সরে গেলেও দু'পক্ষই সতর্ক আছে। বিশেষত গত বছর মে'তে যেভাবে চিনা সেনা ফিঙ্গার ৪-এ এসে গিয়েছিল চিনা সেনা, তাতে বাড়তি সজাগ থাকবে ভারতীয় সেনা। একইসঙ্গে ২৯-৩০ অগস্ট যেভাবে তিনের আগ্রাসন ভেস্তে দিয়েছিল ভারত, তা নিশ্চয়ই এখনও ভোলেনি চিনা সেনা।

বন্ধ করুন