বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ভাটার আশঙ্কার মাঝে সোনার বাজার চাঙ্গা থাকার পূর্বাভাস করে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ভাটার আশঙ্কার মাঝে সোনার বাজার চাঙ্গা থাকার পূর্বাভাস করে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোনায় ৪৩% লাভ হয়েছে, বলছে গত অক্ষয় তৃতীয়ার হিসাব

২০১৯ সালের অক্ষয় তৃতীয়া থেকে এখনও পর্যন্ত সোনার দাম বেড়েছে ৪৩%।

২০১৯ সালের অক্ষয় তৃতীয়ায় যাঁরা সোনা কিনেছিলেন, হিসেব বলছে তাঁরা ৪৩% লাভ করে ফেলেছেন মাত্র একবছরেই।

করোনা সংকট, ডলারের বিনিময়ে টাকার দামের ক্রমাবনতি, তেলের দামে পতন ও বিশ্বজুড়ে প্রধান ব্যাঙ্কগুলির ইতিবাচক উদ্যোগের ফলে সোনার দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। গত এক বছর ধরে সোনার এই ঊর্ধমুখী গতি থাকার পরেও বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ভাটার আশঙ্কার মাঝে সোনার বাজার চাঙ্গা থাকার পূর্বাভাস করে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোটাম মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্কের সিনিয়র একজিকিউটিভ ভিপি এবং বাণিজ্যিক প্রধান শেখর ভাণ্ডারী মনে করছেন, ‘ডলারের হিসেবে এখনও পর্যন্ত সোনার দাম বেড়েছে ১৪%, গত ১২ মাসে ৩৪%। টাকার মূল্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের অক্ষয় তৃতীয়া থেকে এখনও পর্যন্ত সোনার দাম বেড়েছে ৪৩%।’



আরও পড়ুন: সোনার দাম চড়া অক্ষয় তৃতীয়ায়, ২০২১ সালে ৮০ হাজারে পৌঁছবে বলছেন বিশেষজ্ঞরা


চলতি বছরে করোনা সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে লকডাউনের জেরে সোনার চাহিদায় সাময়িক মন্দা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া, ঘরোয়া বাজারে সোনার গয়নার চাহিদায় অর্থবর্ষে নজরকাড়া পতন দেখা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন ভাণ্ডারী।

বর্তমানে দাম চড়লেও সোনার চাহিদা ফের বাড়বে বলে তাঁর দাবি। চলতি বছরের শেষে প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম ৫০,০০০ টাকায় গিয়ে ঠেকবে বলেও তিনি পূর্বাভাস করেছেন।

শুক্রবার এলাকায় দোকান খোলার বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। অক্ষয় তৃতীয়ায় তাই অনলাইনে সোনা কেনার চল বেড়েছে চলতি বছরে। বেশ কিছু গয়না নির্মাতা সংস্থা গ্রাহকদের এই সুবিধা দিচ্ছে। তবে দাম বাড়ার কারণে চাহিদায় কিছুটা ভাটা দেখা দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর জাতীয় সম্পাদক সুরেন্দ্র মেহতা জানিয়েছেন, গত বছর অক্ষয় তৃতীয়ায় ভারতে প্রায় ২৩,০০০ টন সোনা বিক্রি হয়েছিল।

বন্ধ করুন