বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ‌চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে রেমডেসিভিরের, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
 রেমডেসিভির। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
 রেমডেসিভির। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

‌চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে রেমডেসিভিরের, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, গত দেড় মাসেরেমডেসিভিরের উৎপাদন ১০ গুণ বেড়ে গিয়েছে।

চাহিদার তুলনায় দেশে রেমডেসিভির উৎপাদন অনেকটাই বেড়েছে। অতিরিক্ত উৎপাদন হওয়ায় রাজ্যগুলিকে আর রেমডেসিভির সরবরাহ করা হবে না।শনিবার কেন্দ্রের তরফে এই কথাই জানানো হয়েছে।কিছুদিন আগেও দেশজুড়ে করোনার ওষুধ রেমডেসিভিরের কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছিল। তবে পরিস্থিতি যে পাল্টেছে, এবার সেই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডভিয়া জানিয়েছেন, গত দেড় মাসে রেমডেসিভিরের উৎপাদন ১০ গুণ বেড়ে গিয়েছে।গত ১১ এপ্রিল যেখানে রেমডেসিভিরের ৩৩,০০০ ভায়াল উৎপাদন হত, সেখানে এখন প্রতিদিন তিন লাখ ভায়াল উৎপাদন হচ্ছে।অতিরিক্ত উৎপাদ হওয়ায় রীতিমতো সন্তোষ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, ‘‌আমি খুবই খুশি যে রেমডেসিভিরের উৎপাদন চাহিদাকে ছাপিয়ে যেতে পেরেছে।আগে ২০টি প্ল্যান্টে এই ওষুধ উৎপাদন হত। এক মাসের মধ্যে সেই সংখ্যা বেড়ে ৬০ করা হয়েছে।ফলে বিপুল পরিমাণে রেমডেসিভির উৎপাদন হয়েছে দেশে।তবে দেশে যাতে ওষুধ সহজলভ্য হয়, সেদিকেও সরকার নজর রাখছে।এই বিষয়টি দেখার জন্য ন্যাশনাল ফার্মোসিউটিকাল প্রসেসিং এজেন্সিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত বছর সারা বিশ্বে যখন করোনা মহামারী ভয়াবহ আকার নেয়, তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে রেমডেসিভির খুবই কাজ এসেছিল। ভারত থেকে সেইসময় প্রচুর রেমডেসিভির দেশের বাইরে পাঠানো হয়।কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসার পর থেকে দেশে ক্রমশই রেমডিসিভিরের চাহিদা বাড়তে থাকে। কিন্তু তখন উৎপাদন সেই তুলনায় করা সম্ভব হচ্ছিল না।এর ফলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় রেমডেসিভির নিয়ে কালোবাজারি শুরু হয়ে যায়। গত ১১ এপ্রিল এই ওষুধের ওপর রফতানি বন্ধ করে দেওয়া হয়।এরপরই দেশের ভিতরে রেমডেসিভিরের উৎপাদন বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বন্ধ করুন