বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ওমিক্রন ত্রাসের মাঝে অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে টানা নবম দফায় অপরিবর্তিত রেপো রেট

ওমিক্রন ত্রাসের মাঝে অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে টানা নবম দফায় অপরিবর্তিত রেপো রেট

আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস (ছবি সৌজন্যে মিন্ট) (MINT_PRINT)

ওমিক্রন ত্রাসের মাঝে দেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে যাতে আরও কিছুটা সময় দেওয়া যায়, তাই রেপো রেট অপরিবর্থিত রাখার সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। 

অপরির্তিত রাখা হল রেপো রেট ও রিভার্স রেপো রেট। মুদ্রানীতি কমিটি বা মনেটারি পলিসি কমিটি রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে মত দিয়েছে। জানা গিয়েছে, সর্বসম্মতিক্রমেই আগামী ত্রৈমাসিকের জন্য রেপোরেট ৪ শতাংশ রাখার পক্ষে ভোট দিয়েছেন এমপিসি সদস্যরা। এদিকে এমএসএফ হার এবং ব্যাঙ্ক রেটও অপরিবর্তিত থাকছে। এর ফলে এমএসএফ ও ব্যাঙ্ক রেট থাকছে ৪.২৫%। এদিকে রিভার্স রেপো রেট ৩.৩৫ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকছে বলে জানান আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস।

এই নিয়ে নয় দফা রেপো রেট ও রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল আরবিআই। ওমিক্রন ত্রাসের মাঝে দেশের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে যাতে আরও কিছুটা সময় দেওয়া যায়, তাই রেপো রেট অপরিবর্থিত রাখার সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। গত বছর দেশে করোনা অতিমারীর প্রকোপ দেখা যাওয়ার পর ১১৫ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়েছিল রেপো রেট। মুদ্রাস্ফীতি ও নগদ প্রবাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে রেপো রেট ও রিভার্স রেট কমানো হয়েছিল। এরপর থেকে টানা নবমবার রেপো রেট বদল না করার সিদ্ধান্ত নিল আরবিআই।

জিডিপি বৃদ্ধির হার প্রসঙ্গে শক্তিকান্ত দাস জানান, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে জিডিপি ৯.৫ শতাংশ হারে বাড়তে পারে। অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ৬.৬ শতাংশ ও চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৬ শতাংশ বৃদ্ধির অনুমান করা হচ্ছে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে রিয়েল জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ১৭.২ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে তা ৭.৮ শতাংশ হতে পারে। সাম্প্রতিককালে করোনার প্রকোপ কম হওয়ায় এবং জ্বালানির দাম কমায় দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেই চাহিদা বেড়েছে গ্রাহকদের। এর ফলেই ধীরে ধীরে ফের পুরোনো গতিতে ফিরছে দেশের অর্থনীতি।

 

 

 

বন্ধ করুন