বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Rishi Sunak: পাক বংশোদ্ভূতকে জবাব দিয়ে মোদী সম্পর্কে মুখ খুলে কী বললেন ঋষি সুনাক? প্রসঙ্গে বিবিসির বিতর্কিত তথ্যচিত্র

Rishi Sunak: পাক বংশোদ্ভূতকে জবাব দিয়ে মোদী সম্পর্কে মুখ খুলে কী বললেন ঋষি সুনাক? প্রসঙ্গে বিবিসির বিতর্কিত তথ্যচিত্র

ঋষ সুনাক (Photo by JESSICA TAYLOR / UK PARLIAMENT / AFP)  (AFP)

ঋষি সুনাক সাফ ভাষায় জানান, ‘এই বিষয়ে ইউকে সরকারের অবস্থান খুবই স্পষ্ট। আর দীর্ঘদিন ধরে যা অবস্থান ছিল তাও পরিবর্তন হয়নি। অবশ্যই আমরা নিপীড়ন সহ্য করি না, তা সে যেখানেই হোক। তবে আমার মনে হয়না আমি চরিত্রায়ণের সঙ্গে একমত, যে চরিত্রায়ণের কথা মাননীয় ব্যক্তি (সাংসদ) বলছেন।’

বিবিসির তথ্যচিত্র বিতর্ক থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্পর্কে ওই তথ্যচিত্র ঘিরে অবস্থান স্পষ্ট করলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। ওক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাংসদ ব্রিটেনের পার্লামেন্টে ঋষিকে এই ইস্যুতে প্রশ্ন করেন। তাঁর জবাবে ঋষি সাফ জানান, তিনি ‘চরিত্রায়ণের সঙ্গে একমত ’নন।

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সাংসদ ইমরান হুসেন প্রশ্ন তোলেন বিবিসির বিতর্কিত তথ্য চিত্র নিয়ে। উল্লেখ্য, ইউকের জাতীয় তথ্য সম্প্রচার সংস্থা বিবিসির সম্প্রচারিত তথ্যচিত্রে নরেন্দ্র মোদীকে টার্গেট করে তাঁর আমলে গুজরাটের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। ২০০২ সালে যখন গুজরাটের দাঙ্গা হয়েছিল, সেই সময় সেখানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সেই পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে মোদীকে নিশানায় রেখে বিবিসির তথ্যচিত্র প্রকাশ্যে আসে। ২ সিরিজের এই তথ্য চিত্র ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধে। এই তথ্যচিত্র প্রসঙ্গকে সামনে নিয়ে পাক বংশোদ্ভূত ইমরান হুসেন প্রশ্ন তোলেন, ‘তিনি (নরেন্দ্র মোদী) , ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসএর ভাষায় এই হিংসার কারণ ছিলেন।…’ এই প্রসঙ্গক্রমে ইমরান হুসেন, ঋষি সুনাককে প্রশ্ন করেন, ‘ যেখানে দেশের এতগুলি ফরেন অফিসে কূটনীতিবিদরা রয়েছেন, সেখানে প্রধানমন্ত্রী (ব্রিটেনের) কি সম্মত যে, মোদী সরাসরি দায়ী এছাড়াও তাঁর (ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর) ফরেন অফিসের কাছে আর কী তথ্য রয়েছে…? ’ ব্রিটেনের পার্লামেন্টে এরপর পাক বংশোদ্ভূত সাংসদকে যোগ্য জবাব দিয়ে নিজের অবস্থান জানান ঋষি সুনাক। ঋষি সুনাক সাফ ভাষায় জানান, ‘এই বিষয়ে ইউকে সরকারের অবস্থান খুবই স্পষ্ট। আর দীর্ঘদিন ধরে যা অবস্থান ছিল তাও পরিবর্তন হয়নি। অবশ্যই আমরা নিপীড়ন সহ্য করি না, তা সে যেখানেই হোক। তবে আমার মনে হয়না আমি চরিত্রায়ণের সঙ্গে একমত, যে চরিত্রায়ণের কথা মাননীয় ব্যক্তি (সাংসদ) বলছেন।’

এদিকে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকদের তরফে এই বিবিসির তথ্য চিত্রের ব্যাপক সমালোচনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে, এই তথ্যচিত্র বহু ভারতীয়কে আঘাত করেছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রক বিবিসির এই রিপোর্ট ঘিরে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে, সাফ বলা হয়েছে এটি একটি একমুখীন লেখা। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলছেন, ‘মনে হয় এটা প্রচারধর্মী কোনও দিক। এটার কোনও বস্তুনিষ্ঠতা নেই। এটা একপাক্ষিক। মনে রাখতে হবে এটা ভারতে দেখানো হয়নি। আমি এটা নিয়ে বেশি বলতে চাই না, যাতে এটা বেশি সম্মান পেয়ে যায়। ’ 

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

 

 

 

 

বন্ধ করুন