বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > ২০২৪-এ বিজেপিকে ঠেকাতে প্রশান্ত কিশোরের 'লাইনে' হাঁটার বার্তা শরদ পাওয়ারের
শরদ পাওয়ার (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
শরদ পাওয়ার (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

২০২৪-এ বিজেপিকে ঠেকাতে প্রশান্ত কিশোরের 'লাইনে' হাঁটার বার্তা শরদ পাওয়ারের

  • কংগ্রেস ছাড়া বিজেপি বিরোধী জোটের ভবিষ্যত কি? জানালেন শরদ পাওয়ার।

তৃতীয় ফ্রন্টের জল্পনা উসকে দিয়ে নিজের বাসভবনে বিরোধী দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠকের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার। তবে বৈঠকের পরই কংগ্রেস ছাড়া বিজেপি বিরোধী ফ্রন্ট তৈরির তত্ত্ব খারিজ করা হয়েছিল বিরোধীদের তরফে। সেই পথে হেঁটেই বিজেপি বিরোধী ফ্রন্ট নিয়ে মুখ খুললেন শরদ পাওয়ার। মারাঠা স্ট্রংম্যানের মতে, কোনও বিকল্প শক্তি তৈরি হলে তাতে কংগ্রেসকে থাকতেই হবে। উল্লেখ্য, এর আগে প্রশিন্ত কিশোরও একই কথা বলেছিলেন। পিকে বলেছিলেন কংগ্রেস ছাড়া কোনও জোট বিজেপিকে হারাতে পারে বলে তিনি মনে করেন না।

প্রসঙ্গত, প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে গত কয়েকদিনে দুইবার বৈঠক করেছেন শরদ পাওয়ার। শরদ-পিকে দ্বিতীয় বৈঠকের পরই অ-কংগ্রেসি দলের নেতারা সম্মিলিত হন। যার জেরে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। প্রশ্ন জাগে, তাহলে কি ২০২১-এ বিজেপি বিরোধী মুখ হয়ে ওঠা মমতাকে সামনে রেখে ঘুঁটি সাজাতে ময়দানে নেমেছেন প্রশান্ত। এদিকে কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে যেভাবে পিকে বা শরদ পাওয়ার লড়াইতে নামার বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করেছেন, তাতে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা বাড়ল। প্রশ্ন উঠল, তবে কি কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে ইউপিএ-কে নতুন করে গড়ে তোলার কাজ শুরু হবে। যদি তেমনটা হয়, সেক্ষেত্রে ইউপিএ চেয়ারপার্সন কে হবেন, এই প্রশ্নটাও উঠে আসছে।

বিরোধীদের সেই বৈঠকে আদতে কী হয়েছে? এবার সেই বিষয়ে মুখ খুললেন শরদ পাওয়ার স্বয়ং। তিনি এই বৈঠক নিয়ে বলেন, 'বৈঠকে জোট নিয়ে আলোচনা হয়নি। তবে যদি কোনও বিকল্প শক্তি তৈরি হয়, তা একমাত্র কংগ্রেসকে নিয়েই হবে। আমাদের কংগ্রেসের মতো ক্ষমতাকে প্রয়োজন এবং আমি বৈঠকেও বিষয়টি উত্থাপন করেছি।' পাশাপাশি বিজেপি বিরোধিতার স্বার্থে সংঘবদ্ধ নেতৃত্বের পক্ষে মত দেন শরদ পাওয়ার।

প্রসঙ্গত, শরদ পাওয়ারের বাসভবনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আবদুল্লাহ, আরএলডি-র জয়ন্ত চৌধুরী, সমাজবাদী পার্টির ঘনশ্যাম তিওয়ারি, আপ নেতা সুশীল গুপ্তা, সিপিআই-এর বিনয় বিশ্বাম, সিপিএম-এর নীলোৎপল বসু-সহ আরও অনেকে। শুধু রাজনৈতিক নেতা হয়, ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এপি শাহ, প্রাক্তন অ্যাম্বাসাডর কেসি সিং, প্রবীণ আইনজীবী কেটিএস তুলসী, প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসওয়াই কুরেশি, এমনকি গীতিকার জাভেদ আখতার।

তবে এই বৈঠক রাজনৈতিক নয় বলে দাবি করেছিলেন এনসিপি-র নেতা মাজিদ মেনন। তিনি বলেছিলেন, 'এই বৈঠকের আহ্বায়ক শরদ পাওয়ার নন, যশবন্ত সিনহা। এটা রাজনৈতিক বৈঠক নয়।' পাওয়ারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক দি অরাজনৈতিক হয়েও থাকে, বিশেষজ্ঞজের মত, ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি-র বিরুদ্ধে জোট গঠনের তোড়জোর শুরু করেছে বিরোধী দলগুলি।

বন্ধ করুন