ছবিটি প্রতীকী।
ছবিটি প্রতীকী।

সুপ্রিম রায়ে বহাল তফসিলি জাতি ও উপজাতি নিগ্রহে আগাম জামিন না-মঞ্জুর

  • উল্লিখিত আইনে এফআইআর দায়ের করার সময় প্রাথমিক তদন্ত অথবা শীর্ষস্থানীয় পুলিশ আধিকারিকের অনুমোদন নেওয়া জরুরি নয়। সংশোধিত আইনে অভিযোগ দায়ের হলে আগাম জামিন নেওয়া যাবে না।

সংশোধিত তফসিলি জাতি ও উপজাতি (হিংসা দমন) আইনের সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৮ সালের ২০ মার্চ এই আইনের গুরুত্ব লাঘব করার সপক্ষে দেওয়া আদালতের রায়ের প্রভাব সোমবার খারিজ করল শীর্ষ আদালত।

এ দিন বিচারপতি অরুণ মিশ্রের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছে, উল্লিখিত আইনে এফআইআর দায়ের করার সময় প্রাথমিক তদন্ত অথবা শীর্ষস্থানীয় পুলিশ আধিকারিকের অনুমোদন নেওয়া জরুরি নয়।

সংশোধিত আইনে অভিযোগ দায়ের হলে আগাম জামিন নেওয়া যাবে না বলেও এ দিন জানিয়েছে আদালত। তবে ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে আদালতের এফআইআর খারিজ করার ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ।

আরও পড়ুন: সংরক্ষণ মৌলিক অধিকার নয়, সুপ্রিম রায়ে অখুশি রাজনীতিবিদরা


বিচারপতি অরুণ মিশ্রর রায়ের সঙ্গে পৃথক নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভাট ক্যাভিয়েট যোগ করে জানিয়েছেন, একমাত্র ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে সুবিচার ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ওই আইনে আগাম জামিন মঞ্জুর করা যেতে পারে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বরের রায়ে সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ ২০১৮ সালের ২০ মার্চ তারিখে শীর্ষ আদালকের রায়ের উল্লেখ করে। পূর্বতন রায়ের ফলে তফসিলি জাতি ও উপজাতি আইনের গুরুত্ব লাঘব করা হয়েছিল। সেই সময় গ্রেফতারির আগে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।

২০১৮ সালের সংশোধিত তফসিলি জাতি/উপজাতি আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। এ দিন তারই প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ।




বন্ধ করুন