বাড়ি > ঘরে বাইরে > পাহাড়চুড়ো টপকে ছুটবে ট্রেন, মণিপুরে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের উচ্চতম পায়ার রেলসেতু
৭০৩ মিটার লম্বা পায়ার সেতুর বিশেষ নকশার স্তম্ভগুলি নির্মাণে ব্যবহার করা হাইড্রলিক অগার।
৭০৩ মিটার লম্বা পায়ার সেতুর বিশেষ নকশার স্তম্ভগুলি নির্মাণে ব্যবহার করা হাইড্রলিক অগার।

পাহাড়চুড়ো টপকে ছুটবে ট্রেন, মণিপুরে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের উচ্চতম পায়ার রেলসেতু

  • মণিপুরের ইজাই নদীর উপরে নোনেতে নির্মীয়মান এই সেতুর উচ্চতা হবে ১৪১ মিটার, যা হতে চলেছে বিশ্বের উচ্চতম পায়ার ব্রিজ।

উত্তর-পূর্ব ভারতে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে মণিপুরে বিশ্বের উচ্চতম পায়ার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে রেল মন্ত্রক। 

মণিপুরের ইজাই নদীর উপরে নোনেতে নির্মীয়মান এই সেতুর উচ্চতা হবে ১৪১ মিটার, যা বর্তমানে বিশ্বের উচ্চতম রেলসেতু ইউরোপে মন্টেনিগ্রোর ১৩৯ মিটার উঁচু মালা-রিজেকা ভায়াডাক্টকেও ছাপিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক। 

রেল মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সেতু ১১১ কিমি দীর্ঘ জিরিবান-টুপুল-ইম্ফল রেলপথের অংশ। সেতুটি ৭০৩ মিটার লম্বা হবে। বিশেষ নকশার স্তম্ভগুলি নির্মাণে ব্যবহার করা হাইড্রলিক অগার। স্তম্ভ তৈরির কাজে লাগানো হচ্ছে ‘স্লিপ-ফর্ম প্রযুক্তি,’ যা অবাধ ও নিয়মিত নির্মাণে সাহায্য করে। 

মণিপুরের ইজাই নদীর উপরে নোনেতে নির্মীয়মান এই সেতুর উচ্চতা হবে ১৪১ মিটার।
মণিপুরের ইজাই নদীর উপরে নোনেতে নির্মীয়মান এই সেতুর উচ্চতা হবে ১৪১ মিটার।

সেতুতে ব্যবহৃত লোহার গার্ডারগুলি ওয়ার্কশপ থেকে তৈরি করিয়ে ভাগে ভাগে নির্মাণস্থলে আনা হয়েচে এবং ক্যান্টিলিভার প্রযুক্তির সাহায্যে বসানো হচ্ছে। 

নির্মাণ কর্মীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি স্তম্ভের সঙ্গে বসানো হয়েছে স্বয়ংক্রিয় বিদ্যুৎচালিত লিফ্ট। ওই লিফ্টের সাহায্যেই নির্মাণের কাঁচামাল স্তম্ভের উপরে পৌঁছচ্ছে। 

এই রেল প্রকল্পে রয়েছে মোট ৪৫টি টানেল। এর মধ্যে দীর্ঘতম ১২ নম্বর টানেলটির দৈর্ঘ্য ১০.২৮ কিমি। উত্তর-পূর্ব ভারতে এটিই দীর্ঘতম রেলওয়ে টানেল, জানিয়েছেন উত্তর-পূর্ব রেলের এক আধিকারিক। 

জাতীয় রেলপথ প্রকল্পের অন্তর্গত হওয়ায় গত তিন বছরে জোরকদমে চলেছে এই রেল লাইন নির্মাণের কাজ। 

বন্ধ করুন