বাংলা নিউজ > ছবিঘর > SRH vs KKR: আক্রমণাত্মক শুরু থেকে পাওয়ার প্লে'তে দারুণ বোলিং - কোন ৬ কারণে জিতল KKR?

SRH vs KKR: আক্রমণাত্মক শুরু থেকে পাওয়ার প্লে'তে দারুণ বোলিং - কোন ৬ কারণে জিতল KKR?

নয়া বছর, নয়া শুরু - সেই মন্ত্রেই যেন উদ্বুদ্ধ হয়ে ... more

আক্রমণাত্মক শুরু : গতবার পুরো টুর্নামেন্টেই ঢিমে শুরুর ফল ভুগতে হয়েছিল। এবার প্রথম ম্যাচেই আক্রমণাত্মক শুরু করে কেকেআর। প্রথম ছ'ওভারেই বিনা উইকেটে ৫০ রান তুলে ফেলেন নীতিশ রানা এবং শুভমন গিল। তার ফলে মিড অর্ডারের উপর বাড়তি চাপ পড়েনি। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
1/7আক্রমণাত্মক শুরু : গতবার পুরো টুর্নামেন্টেই ঢিমে শুরুর ফল ভুগতে হয়েছিল। এবার প্রথম ম্যাচেই আক্রমণাত্মক শুরু করে কেকেআর। প্রথম ছ'ওভারেই বিনা উইকেটে ৫০ রান তুলে ফেলেন নীতিশ রানা এবং শুভমন গিল। তার ফলে মিড অর্ডারের উপর বাড়তি চাপ পড়েনি। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
নীতিশ রানা এবং রাহুল ত্রিপাঠীর জুটি : শুভমন গিল আউট হওয়ার পর কেকেআরের ইনিংসের হাল ধরেন রানা এবং ত্রিপাঠী। দু'জনে ৫০ বলে ৯৩ রান যোগ করেন। তার ফলেই ম্যাচে জাঁকিয়ে বসে কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
2/7নীতিশ রানা এবং রাহুল ত্রিপাঠীর জুটি : শুভমন গিল আউট হওয়ার পর কেকেআরের ইনিংসের হাল ধরেন রানা এবং ত্রিপাঠী। দু'জনে ৫০ বলে ৯৩ রান যোগ করেন। তার ফলেই ম্যাচে জাঁকিয়ে বসে কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
‘ফিনিশার’ দীনেশ কার্তিক : ১৫.২ ওভারের পর আচমকা খেই হারিয়ে ফেলেছিল কেকেআর। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। সেখান থেকে ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান ‘ফিনিশার’ কার্তিক। মাত্র ন'বলে ২২ রানের ইনিংস খেলেন। যা শেষপর্যন্ত ম্যাচের নিরিখে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস হয়ে দাঁড়ায়। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
3/7‘ফিনিশার’ দীনেশ কার্তিক : ১৫.২ ওভারের পর আচমকা খেই হারিয়ে ফেলেছিল কেকেআর। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। সেখান থেকে ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান ‘ফিনিশার’ কার্তিক। মাত্র ন'বলে ২২ রানের ইনিংস খেলেন। যা শেষপর্যন্ত ম্যাচের নিরিখে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস হয়ে দাঁড়ায়। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
বল হাতে দুরন্ত শুরু : গতবার আইপিএলে প্রথম ছ'ওভারে উইকেট না পাওয়ার রোগ ভুগিয়েছিল কেকেআরকে। রবিবার প্রথম ১৩ বলের মধ্যেই দুই ওপেনারকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান প্রসিধ কৃষ্ণা এবং শাকিব আল হাসান। সঙ্গে রানের গতিও আটকে রেখেছিলেন নাইটরা। ফলে রিকোয়ার্ড রান রেটও বেড়ে যায়। যা পরের ব্যাটসম্যানদের উপর চাপ তৈরি করে। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
4/7বল হাতে দুরন্ত শুরু : গতবার আইপিএলে প্রথম ছ'ওভারে উইকেট না পাওয়ার রোগ ভুগিয়েছিল কেকেআরকে। রবিবার প্রথম ১৩ বলের মধ্যেই দুই ওপেনারকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান প্রসিধ কৃষ্ণা এবং শাকিব আল হাসান। সঙ্গে রানের গতিও আটকে রেখেছিলেন নাইটরা। ফলে রিকোয়ার্ড রান রেটও বেড়ে যায়। যা পরের ব্যাটসম্যানদের উপর চাপ তৈরি করে। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
প্যাট কামিন্সের জুটি ভাঙা : একটা সময় জনি বেয়ারস্টো এবং মণীশ পান্ডের সৌজন্যে মনে হচ্ছিল, হায়দরাবাদ ম্যাচ জিতে যাবে। ১২.৫ ওভারে ১০২ রান উঠে গিয়েছিল। পরের বলেই ৯২ রানের জুটি ভাঙেন কামিন্স। আউট করেন বেয়ারস্টোকে। সেখান থেকেই ম্যাচে প্রবলভাবে ফিরে আসে কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
5/7প্যাট কামিন্সের জুটি ভাঙা : একটা সময় জনি বেয়ারস্টো এবং মণীশ পান্ডের সৌজন্যে মনে হচ্ছিল, হায়দরাবাদ ম্যাচ জিতে যাবে। ১২.৫ ওভারে ১০২ রান উঠে গিয়েছিল। পরের বলেই ৯২ রানের জুটি ভাঙেন কামিন্স। আউট করেন বেয়ারস্টোকে। সেখান থেকেই ম্যাচে প্রবলভাবে ফিরে আসে কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
মর্গ্যানের অধিনায়কত্ব : পিচের চরিত্র যে একেবারে ভালোভাবে অনুধাবন করতে পেরেছেন, তা বুঝিয়ে দিলেন ইয়ন মর্গ্যান। বোলিং শুরু করলেন হরভজন সিংকে দিয়ে। বিশেষত ছ'ওভার, শেষের ওভারগুলিতে যেভাবে বোলারদের ব্যবহার করলেন, তাতে স্পষ্ট যে কেন তিনি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। সেই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সময় দলের সেরা বোলারকে আক্রমণে নিয়ে এসে কেকেআরকে ম্যাচে ফিরে আনলেন মর্গ্যান। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
6/7মর্গ্যানের অধিনায়কত্ব : পিচের চরিত্র যে একেবারে ভালোভাবে অনুধাবন করতে পেরেছেন, তা বুঝিয়ে দিলেন ইয়ন মর্গ্যান। বোলিং শুরু করলেন হরভজন সিংকে দিয়ে। বিশেষত ছ'ওভার, শেষের ওভারগুলিতে যেভাবে বোলারদের ব্যবহার করলেন, তাতে স্পষ্ট যে কেন তিনি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। সেই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সময় দলের সেরা বোলারকে আক্রমণে নিয়ে এসে কেকেআরকে ম্যাচে ফিরে আনলেন মর্গ্যান। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
আন্দ্রে রাসেলের দুরন্ত শেষ ওভার : গতবার ফর্মে ছিলেন না। এবার ১৮ তম এবং ২০ তম ওভার করেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য সানরাইজার্সের ২২ রান দরকার ছিল। স্ট্রাইকে ছিলেন আবদুল সামাদ। যিনি আগের ওভারেই কামিন্সকে জোড়া ছক্কা মেরেছিলেন। তার ফলে যথেষ্ট চাপ ছিল। চাপের মুখে স্নায়ু ধরে রেখে ভালো বল করেন। ফলে জয় ছিনিয়ে নেয় কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
7/7আন্দ্রে রাসেলের দুরন্ত শেষ ওভার : গতবার ফর্মে ছিলেন না। এবার ১৮ তম এবং ২০ তম ওভার করেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য সানরাইজার্সের ২২ রান দরকার ছিল। স্ট্রাইকে ছিলেন আবদুল সামাদ। যিনি আগের ওভারেই কামিন্সকে জোড়া ছক্কা মেরেছিলেন। তার ফলে যথেষ্ট চাপ ছিল। চাপের মুখে স্নায়ু ধরে রেখে ভালো বল করেন। ফলে জয় ছিনিয়ে নেয় কেকেআর। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
অন্য গ্যালারিগুলি