ধরাছোঁয়ার বাইরে বোল্ট। ছবি- টুইটার।
ধরাছোঁয়ার বাইরে বোল্ট। ছবি- টুইটার।

Covid-19: সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনেই অলিম্পিকে সোনা জেতেন বোল্ট, ভাইরাল টুইট

  • নিজস্ব ঢংয়ে টুইটারে অনুরাগীদের সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে চলার অনুরোধ জানান বিদ্যুৎ বোল্ট।

করোনা মহামারির জেরে এই মুহূর্তে লকডাউন চলছে সারা বিশ্বজুড়ে। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্য লকডাউনে বাড়ির বাইরে না বেরোনের আবেদন জানাতে দেখা যাচ্ছে সেলিব্রিটিদের। তারকা ক্রীড়াবিদরা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে চলার বার্তা দিচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ব্যাতক্রমী নন উসেইন বোল্ট। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্বরেকর্ডধারী স্প্রিন্টারও অনুরাগীদের সচেতন করলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে খেলোয়াড় জীবনে তিনি যেমন বাকিদের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকতেন, এক্ষেত্রেও সবার থেকে এগিয়ে রইলেন জামাইকান বিদ্যুৎ।

নিতান্ত নিজস্ব ঢংয়ে টুইটারে অনুরাগীদের সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে চলার অনুরোধ জানান বিদ্যুৎ বোল্ট। বার্তা অতি সংক্ষিপ্ত। দু'টি শব্দে বোল্ট লেখেন, 'সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং।' যদিও হ্যাশট্যাগে তিনি 'হ্যাপি ইস্টার' লিখেছেন বার্তার শেষে। তবে সঙ্গে যে ছবিটি তিনি পোস্ট করেছেন, সেটিই বোল্টের বার্তাকে অর্থবহ করে তুলেছে।

বোল্ট এক্ষেত্রে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের উদাহরণ হিসেবে নিজের পুরনো একটি ছবি ব্যবহার করেন। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকের ১০০ মিটার ফাইনালে তৎকালীন বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জেতার মুহূর্তের ছবিকেই তিনি ব্যবহার করেছেন সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের আদর্শ নমুনা হিসেবে।

৯.৬৯ সেকেন্ডে ১০০ মিটার অতিক্রম করার মুহূর্তে বাকিরা বোল্টের আশেপাশেই ছিলেন না। অর্থাৎ বাকিদের থেকে বেশ খানিকটা ব্যবধান বজায় রেখেই বোল্ট বেজিং অলিম্পিকে সোনা জেতেন। এই ব্যবধানকেই উসেইন সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং হিসেবে তুলে ধরেছেন।

মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় বোল্টের এই বার্তা। টুইটটি ১৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ লাইক আদায় করে নেয়। রি-টুইট হয় প্রায় ১ লক্ষ বার।

বন্ধ করুন