বাড়ি > ময়দান > ‘ভারতীয় ক্রিকেটে নেপোটিজমের অস্তিত্ব থাকলে সচিন ও গাভাসকরের ছেলে তার সুবিধা পেত’
সচিন ও অর্জুন তেন্ডুলকর। ছবি- পিটিআই।
সচিন ও অর্জুন তেন্ডুলকর। ছবি- পিটিআই।

‘ভারতীয় ক্রিকেটে নেপোটিজমের অস্তিত্ব থাকলে সচিন ও গাভাসকরের ছেলে তার সুবিধা পেত’

  • আকাশ চোপড়া দাবি করেন, সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে দলে ঢুকতে হলে পারফর্ম্যান্সই একমাত্র চাবিকাঠি।

বলিউডে নেপোটিজম থাকতে পারে, তবে ভারতীয় ক্রিকেটে নেই। অন্তত সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে সকলকে দলে ঢুকতে হয় নিজের যোগ্যতা দিয়েই। এখানে পিতৃপরিচয় কারও জন্য ন্যূনতম রঞ্জি দলের দরজাও খুলে দেয় না। সে কারণেই সচিন তেন্ডুলকরের ছেলেকে এখনও সিনিয়র ক্রিকেটে দেখা যায়নি। এমনটাই মত, টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার আকাশ চোপড়ার।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আকাশ চোপড়া জানান, ভারতীয় ক্রিকেটে নেপোটিজমের অস্তিত্ব থাকলে সচিন ও গাভাসকরের ছেলে তার সুবিধা পেত। অর্জুন তেন্ডুলকর ও রোহন গাভাসকরের উদাহরণ দিয়ে চোপড়া দাবি করেন, যত বড় তারকার ছেলেই হও না কেন, ভারতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে দলে ঢুকতে হলে যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়।

চোপড়া বলেন, ‘অর্জুন তেন্ডুলকরের কথাই ধরা যাক, সচিনের ছেলে বলে তাকে কোনও মঞ্চ উপহার দেওয়া হয়নি। সহজে ভারতীয় দলে ঢোকাও সম্ভব হয়নি তার পক্ষে। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্ষেত্রেও এমন কোনও অবৈধ নির্বাচন দেখা যায়নি অর্জুনকে নিয়ে। যখনই কোনও দল নির্বাচন হয়েছে, সেটা নিতান্ত পারফর্ম্যান্সের উপর ভিত্তি করেই।’

বাস্তবিকই ইংল্যান্ড ও ভারতীয় ক্রিকেট দলের নেটে ক্রমাগত বোলিং করার অভিজ্ঞতা থাকলেও এখনও মুম্বইয়ের হয়ে রঞ্জি খেলা হয়নি অর্জুনের। সচিন পুত্রকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের নেটেও বোলিং করতে দেখা যায়। তবে এখনও কোনও আইপিএল দলে ঢুকে পড়তে পারেননি তিনি।

আকাশ চোপড়া আরও বলেন, 'শুধুমাত্র সুনীল গাভাসকরের ছেলে বলে রোহন অনেক বেশি ম্যাচ খেলতে পারত ভারতের হয়ে। কিন্তু তেমনটা হয়নি। এমনকি রোহনের পদবী গাভাসকর হওয়া সত্ত্বেও মুম্বইয়ের রঞ্জি দলে জায়গা হয়নি তাঁর। রোহন বাংলার হয়ে ধারাবাহিক পারফর্ম্যান্স করে তবেই জাতীয় দলে ঢুকেছিল।'

বন্ধ করুন