বাড়ি > ময়দান > ISL 2020: জোড়া জটে বিপত্তি! নয়া নামে ISL-এ দরপত্র জমা ইস্টবেঙ্গলের
জোড়া জটে বিপত্তি! নয়া নামে ISL-এ দরপত্র জমা ইস্টবেঙ্গলের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক - ইস্টবেঙ্গল)
জোড়া জটে বিপত্তি! নয়া নামে ISL-এ দরপত্র জমা ইস্টবেঙ্গলের (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক - ইস্টবেঙ্গল)

ISL 2020: জোড়া জটে বিপত্তি! নয়া নামে ISL-এ দরপত্র জমা ইস্টবেঙ্গলের

  • তাতে অবশ্য জট যে পুরোপুরি কেটে গিয়েছে, তা নয়। বরং লাইসেন্সিংয়ের বিষয়টি জটিল হয়ে গিয়েছে।

যাবতীয় জল্পনার অবসান। অবশেষে সরকারিভাবে ঘোষণা করা হল, ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (আইএসএল) খেলার জন্য দরপত্র জমা দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই দরপত্র জমা পড়েছে ‘শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন’ নামে।

আইএসএল খেলার জন্য গত সোমবার এফএসডিএলের কাছে দরপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন ছিল। সেদিন বিকেল পাঁচটার মধ্যেই ইস্টবেঙ্গল দরপত্র জমা দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। কিন্তু পরে জল্পনা ছড়ায়, ইস্টবেঙ্গল দরপত্র জমা দেয়নি। শেষপর্যন্ত জানা যায়, লাল-হলুদ শিবিরের তরফে দরপত্রের সফট কপি জমা দেওয়া হয়েছে। তার হার্ড কপি আগামিকালের (বৃহস্পতিবার) মধ্যে ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে এফএসডিএলের কাছে পৌঁছে যাবে। তবে ইস্টবেঙ্গল হিসেবে নয়, বরং নয়া নামে দরপত্র জমা পড়েছে। 

কিন্তু কেন?

নয়া দরপত্র কী নামে জমা দেওয়া হবে, তা নিয়ে আগেই জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেই জট কাটানোর জন্য গত রবিবার আলোচনায় বসেন শ্রী সিমেন্ট, এফএসডিএল এবং ফেডারেশনের কর্তারা। তাতে ঠিক হয়, লাইসেন্সিং সমস্যা এড়ানোর আপাতত ‘ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেড’ হিসেবে দরপত্র জমা দেওয়া হবে। কিন্তু তাতেও দুটি সমস্যা তৈরি হয়।

প্রথমত, ‘ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেড’-এর তরফে আইএসএল খেলার আবেদন জানানো হলে কোয়েসের দেনা শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষকে মেটাতে হবে দাবি করা হয়। যে অঙ্কটা সাত কোটি বলে একটি অংশের তরফে বলা হয়। সূত্রের খবর, দেনা সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে বলা হলেও তা দ্রুত দিতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। 

দ্বিতীয়ত, লাইসেন্সিংয়ের একটি নিয়ম নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী, ডিরেক্টর বোর্ডে বিনিয়োগকারীর তুলনায় ক্লাবের প্রতিনিধি বেশি থাকতে হবে। বড়জোর সমসংখ্যক প্রতিনিধি থাকতে পারেন। সেই নিয়মের জেরেই কোয়েসের শেয়ার বেশি থাকলেও ডিরেক্টর বোর্ডে বিনিয়োগকারী এবং ইস্টবেঙ্গলের সমসংখ্যক প্রতিনিধি (চারজন) ছিলেন। কিন্তু তাতে আপত্তি ছিল শ্রী সিমেন্টের। আর ‘ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেড’-এর নামে দরপত্র জমা দিলে ঠিক সেটাই হত। 

সেই জোড়া জটিলতার জাঁতাকলে ‘ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেড’ নয়, বরং ‘শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন’ নামে দরপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। ম্ঙ্গলবার রাতের দিকে ইস্টবেঙ্গলের তরফে তা সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়। তাতে অবশ্য জট যে পুরোপুরি কেটে গিয়েছে, তা নয়। বরং লাইসেন্সিংয়ের বিষয়টি জটিল হয়ে গিয়েছে। সেজন্য এফএসডিএলের তরফেও সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা করা হচ্ছে না।

তবে লাল-হলুদ কর্তাদের আশা, সেই জট অচিরেই কেটে যাবে। কারণ ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য এগিয়ে এসেছে খোদ ফেডারেশন। সূত্রের খবর, বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ইস্টবেঙ্গলকে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে দেওয়ার জন্য ফেডারেশনের তরফে এএফসির কাছে আবেদন করা হয়েছে।

বন্ধ করুন