বাংলা নিউজ > ময়দান > টোকিও অলিম্পিক্স > Tokyo 2020: গল্ফ কোর্স থেকে ৭৫ কি.মি দূরে থাকার ব্যবস্থা, রাত তিনটেয় উঠেই পদকজয়ের জন্য লড়তে বাধ্য হন অদিতি অশোক
অদিতি অশোক। ছবি- রয়টার্স। (REUTERS)

Tokyo 2020: গল্ফ কোর্স থেকে ৭৫ কি.মি দূরে থাকার ব্যবস্থা, রাত তিনটেয় উঠেই পদকজয়ের জন্য লড়তে বাধ্য হন অদিতি অশোক

  • দুই দিন দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও টোকিওয় চতুর্থ স্থানে শেষ করেন ভারতীয় গল্ফার।

নাগাড়ে দুই দিন দ্বিতীয় স্থান ধরে রাখার পর শেষ পর্যায়ে এসে চতুর্থ স্থানে শেষ করে অল্পের জন্য পদক ফসকায় ভারতীয় গল্ফার অদিতি অশোকের হাত থেকে। তবে এই সাফল্য লাভের জন্য অদিতিকে প্রতিযোগীদের পাশপাশি লড়তে হয়েছিল চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির সঙ্গেও। অলিম্পিক্স শেষে নিজের চাপা ক্ষোভ উগড়ে দিলেন ভারতীয় গল্ফার।

India Today-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অদিতি জানান, ‘আমি টোকিও ছিলাম এবং শেষ দিন ওরা (উদ্যোক্তরা) ঝড়ের পূর্বাভাসের কারণে টি টাইম এগিয়ে দেয়। আমায় সকালে ৮.১৮-র সময় দেওয়া হয়। তার আগে ওয়ার্ম আপ করতে দেড় ঘন্টা এবং প্রাতরাশ করতে আরও আধা ঘন্টা সময় লাগে আমার। আমায় গেমস ভিলেজে থাকতে হয়, যা গল্ফ কোর্স থেকে ৭৫ কি.মি দূরে ছিল এবং প্রতিদিন ওখানে আমার পৌঁছতে দেড় ঘন্টা সময় লাগত। আদপে আমায় রাত তিনটের সময় উঠে বিশ্বের এক নম্বরের বিরুদ্ধে খেলতে বলা হয় এবং এরপরেও সকলে বলবে আমি লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছি।’ 

অদিতি দাবি করেন, তাঁকে গেমস ভিলেজে এত দূরে থাকতে হলেও পদকজয়ী কোন গল্ফারই সেখানে থাকত না। পরিবর্তে সকলে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক্স কমিটি (আইওসি) দ্বারা স্বীকৃত হোটেলে গল্ফ কোর্সের কাছাকাছি থাকত। এই প্রতিকূলতা তাঁর পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে বলেই ইঙ্গিত ভারতীয় গল্ফারের।

‘আমার প্রতিযোগীরা বেশিরভাগই আইওসির স্বীকৃত হোটেলে থাকছিল, যার থেকে গল্ফ কোর্সে পৌঁছাতে দুই থেকে ৩০ মিনিটের মতো লাগত। এক আধজন গল্ফারই ভিলেজে থাকছিল, তবে তাঁরা পদকজয়ীদের মধ্যে কেউ না। আমার মনে হয় ভিলেজে থেকে যেসব গল্ফারা রোজ দেড় ঘন্টা করে আসা যাওয়া করত তাঁদের মধ্যে আমিই সেরা। আমি বলছি না এত দূরে না থাকলে আমি পদক জিততাম। তবে ছয় ঘন্টা অধিক ঘুম অবশ্যই লাভদায়ক হত।’ মত ব্যাঙ্গালুরুর গল্ফারের।

বন্ধ করুন