বাংলা নিউজ > ময়দান > WTC ফাইনালে ভারত নয়, নিউজিল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখছেন প্যাট কামিন্স
কোহলি-উইলিয়ামসনের দ্বৈরথের অপেক্ষা।
কোহলি-উইলিয়ামসনের দ্বৈরথের অপেক্ষা।

WTC ফাইনালে ভারত নয়, নিউজিল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখছেন প্যাট কামিন্স

  • নিউজিল্যান্ড ভারতের বিরুদ্ধে এই ফাইনাল খেলার আগে ইংল্যান্ডের সঙ্গে দু'টি টেস্ট ম্যাচও খেলবে। স্বভাবতই পুরো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বড় সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে তারা।ভারত সেখানে কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে না। ২ জুন ইংল্যান্ডে পৌঁছেই ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন কাটাবে। তার পরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে।

ইংল্যান্ডের আবহাওয়ার কারণেই নাকি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে এগিয়ে থাকবে নিউজিল্যান্ডই। এমনটাই দাবি প্যাট কামিন্সের। ১৮-২২ জুুন সাউদাম্পটনে ভারত-নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হবে।

বিরাট কোহলির ভারত না কেন উইলিয়ামসনের নিউজিল্যান্ড, কোন টিম আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে জয়ী হবে, তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। মূলত বিদেশি প্রাক্তন বা বর্তমান প্লেয়ারদের অনেকেই এই ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে রাখছে। তার একটা বড় কারণ হল ইংল্যান্ডের আবহাওয়া।

নিউজিল্যান্ড ভারতের বিরুদ্ধে এই ফাইনাল খেলার আগে ইংল্যান্ডের সঙ্গে দু'টি টেস্ট ম্যাচও খেলবে। স্বভাবতই পুরো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বড় সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে তারা। এবং নিজেদের প্রস্তুতিটাও ভাল ভাবে সেরে নিতে পারবে। ভারত সেখানে কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে না। ২ জুন ইংল্যান্ডে পৌঁছেই ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন কাটাবে। তার পর কিছু দিন পুরোদমে প্র্যাকটিস করে বা নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে।

যে কারণে একটি ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে প্যাট কামিন্স বলেছেন, ‘এটা খুবই ভাল ম্যাচ হতে চলেছে। তবে ইংল্যান্ডে খুবই বৃষ্টি হবে সে সময়। যদি ওখানকার আবহাওয়ার কথা ধরা হয়, সে ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকবে।’ এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেছেন, ‘এটা খুবই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ হওয়ার কথা। তবে দু'টো টিমই কিন্তু মাস দুয়েক হল কোনও টেস্ট ম্যাচ খেলেনি। এই টেস্টের ফল যা খুশি হতে পারে। কিন্তু এখানকার অবহাওয়ার দিক থেকে ভারতের থেকে নিউজিল্যান্ড বেশি সুবিধে পাবে।’

অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার আরও বলেছেন, ‘আমার মতামত সম্ভবত বিশ্বের বাকি ব্যাটসম্যানদের থেকে আলাদা। তবে আমার মনে হয় অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিরায় যে পেস বাউন্স পাওয়া যায় বা ইংল্যান্ডে যে সিম এবং সুইম পাওয়া যায়, সেটা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। তবে এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাও কিন্তু একটা বড় চ্যালেঞ্জ। ’

বন্ধ করুন