বাংলা নিউজ > ময়দান > '২০০৭-২০১১ সালে সেঞ্চুরি নেই দ্রাবিড়ের', 'দাদাগিরি'-তে বেমালুম ভুল বললেন সৌরভ!
'আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত কোনও শতরান করেননি রাহুল দ্রাবিড়।' এমনই মন্তব্য করে নেটিজেনদের খোঁচার মুখে পড়লেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক, রাহুলের ছবি নেওয়া হয়েছে একটি বিজ্ঞাপনের দৃশ্য থেকে)
'আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত কোনও শতরান করেননি রাহুল দ্রাবিড়।' এমনই মন্তব্য করে নেটিজেনদের খোঁচার মুখে পড়লেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক, রাহুলের ছবি নেওয়া হয়েছে একটি বিজ্ঞাপনের দৃশ্য থেকে)

'২০০৭-২০১১ সালে সেঞ্চুরি নেই দ্রাবিড়ের', 'দাদাগিরি'-তে বেমালুম ভুল বললেন সৌরভ!

  • ২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আটটি শতরান করেছিলেন দ্রাবিড়।

'আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০৭ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কোনও শতরান করেননি রাহুল দ্রাবিড়।' এমনই মন্তব্য করে নেটিজেনদের খোঁচার মুখে পড়লেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাঁদের বক্তব্য, ওই তিন বছরেই (২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত) তো আটটি শতরান করেছেন দ্রাবিড়।

‘দাদাগিরি’-র মঞ্চে বিরাট কোহলির ব্যাটে শতরানের খরা নিয়ে কথা বলার মধ্যেই সৌরভ বলেন, ‘আমি রাহুল দ্রাবিড়কে দেখেছি। যেহেতু আমার সমসাময়িক ছিল। ২০০৭ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনও শতরান করেনি। ২০১১ সালে গিয়ে চার টেস্টে চারটি শতরান করেছিল (যদিও সেই বছর ১২ টি টেস্টে পাঁচটি শতরান করেছিলেন দ্রাবিড়)। তাই কোনও কিছু না শেষ হয়নি। তুমি যদি মনে কর যে শেষ হয়ে গিয়েছে, তবেই শেষ হবে।’

সৌরভের সেই মন্তব্যের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই সৌরভের ‘ভুল’ শুধরে দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, সৌরভ সম্ভবত ২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সালের কথা বলতে চেয়েছেন। সেটা ধরলেও ওই সময়ের মধ্যে টেস্টে আটটি শতরান করেছিলেন রাহুল।২০০৭ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঢাকায় ১২৯ রান করেছিলেন। ২০০৮ সালে দুটি শতরান হাঁকিয়েছিলেন - দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ে ১১১ রান এবং মোহালিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৩৬ রান। ২০০৯ সালেও দ্রাবিড়ের ব্যাট থেকে এসেছিল দুটি শতরান। আমদাবাদে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১৭৭ রান করেছিলেন। কানপুরে সেই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেই করেছিলেন ১৪৭ রান। ২০১০ সালে দ্রাবিড়ের শতরানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল তিন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঢাকায় ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন। আমদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১০৪ রান করেছিলেন। সেই কিউয়িদের বিরুদ্ধে কানপুরে ১৯১ রানে ইনিংস খেলেছিলেন। তারপর ২০১১ সালে লর্ডস-সহ মোট পাঁচটি শতরান করেছিলেন। পাশাপাশি নেটিজেনদের বক্তব্য, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাত্র দুটি ক্যালেন্ডার বর্ষে টেস্টে কোনও শতরান পাননি দ্রাবিড় - অভিষেকের বছর ১৯৯৬ সাল এবং অবসরের বছর ২০১২ সাল।

বন্ধ করুন