প্রয়াত আইসিসি তথা বিসিসিআই সভাপতি জগমোহন ডালমিয়া।
প্রয়াত আইসিসি তথা বিসিসিআই সভাপতি জগমোহন ডালমিয়া।

ডালমিয়ার জন্য বেঁচে যায় শোয়েব আখতারের ক্রিকেট কেরিয়ার, স্বীকার করলেন প্রাক্তন PCB প্রধান

  • গোটা ক্রিকেটবিশ্ব আখতারকে নির্বাসিত করতে উদ্যত ছিল। একা ঢাল হয়ে দাঁড়ান জগমোহন ডালমিয়া।

জগমোহন ডালমিয়া না থাকলে শোয়েব আখতারের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার শুরুতেই শেষ হয়ে যেত। প্রাক্তন আইসিসি তথা বিসিসিআই সভাপতি পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলেই আখতারের ক্রিকেট কেরিয়ার দীর্ঘায়িত হয়। এমনটাই দাবি প্রাক্তন পিসিবি প্রধান তৌকির জিয়ার।

পাক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোনওরকম রাখঢাক না করে তৌকির জানান, গোটা ক্রিকেটবিশ্ব আখতারকে নির্বাসিত করতে উদ্যত ছিল। একা ঢাল হয়ে দাঁড়ান জগমোহন ডালমিয়া। তৎকালীন পিসিবি প্রধান ছিলেন তিনি নিজে। শোয়েবের জন্য তাঁর লড়াই ধোপে টিকত না যদি না সেই সময় আইসিসি সভাপতির আসনে থাকা ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসক তাঁকে সমর্থন করতেন।

তৌকির বলেন, 'শোয়েবের কেরিয়ার ২০০০-০১'এই শেষ হয়ে যেতে পারত। ১৯৯৯ সালেই আইসিসি'র তরফে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়ে দেওয়া হয় শোয়েবের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। সেই সময় আইসিসির সভাপতি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী জগমোহন ডালমিয়া। শোয়েবের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে উনি আমাদের প্রভূত সাহায্য করেন। আইসিসির বাকি সব সদস্য আখতারের বোলিং অ্যাকশনকে অবৈধ বলে মনে করলেও ডালমিয়ার জন্যই বেঁচে যায় শোয়েব।'

প্রাক্তন পিসিবি প্রধান আরও বলেন, 'কেবলমাত্র ডালমিয়া পাশে ছিলেন বলেই আইসিসিকে এটা মেনে নিতে হয় যে, শোয়েব যে হাতে বল করে, তাতে জন্মগত ত্রুটি রয়েছে। যে কারণে ওর কনুই তুলনায় বেশি প্রসারিত হয়। অগত্যা আখতারকে বোলিং চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।'

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেন আখতার। তিনি সর্বোচ্চ মঞ্চে খেলা চালিয়ে যান ২০১১ সালের মার্চ পর্যন্ত।

বন্ধ করুন