বাংলা নিউজ > ময়দান > অলিম্পিক্সের পদক কেড়ে সুশীলকে ফাঁসিতে ঝোলানো হোক, দাবি মৃত সাগরের মা-বাবার
সুশীল কুমার।
সুশীল কুমার।

অলিম্পিক্সের পদক কেড়ে সুশীলকে ফাঁসিতে ঝোলানো হোক, দাবি মৃত সাগরের মা-বাবার

  • সাগরের মা-বাবা মনে করছেন, সুশীলের যে রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে, সেটা কাজে লাগিয়ে এই মামলাকে প্রভাবিত করবেন তিনি। তাঁর আগেই কোর্ট যেন তাঁকে প্রাণদণ্ডের মতো কঠিন শাস্তি দেয়।

অলিম্পিক্সে দু'বারের পদক জয়ী কুস্তিগীর সুশীল কুমারের প্রাণদণ্ডের আর্জি জানালেন মৃত সাগর রানা ধনকড়ের মা-বাবা। একই সঙ্গে খুনের মতো জঘন্য অপরাধের জন্য তাঁর অলিম্পিক্সের পদক কেড়ে নেওয়ার দাবিও জানালেন তাঁরা।

সাগরের মা-বাবা মনে করছেন, সুশীলের যে রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে, সেটা কাজে লাগিয়ে এই মামলাকে প্রভাবিত করবেন তিনি। তাঁর আগেই কোর্ট যেন তাঁকে প্রাণদণ্ডের মতো কঠিন শাস্তি দেয়। এবং অলিম্পিক্সের পদক জয়ের সম্মানটুকুও যেন তাঁর থেকে কেড়ে নেওয়া হয়।

সাগরের বাবা অশোক ধনকড় বলেছেন, ‘আমরা ন্যায় বিচারের আশাই করছি। কোথায় তিনি পালিয়েছিল, গা ঢাকা দিয়ে কোথায় ছিল, কে তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিল এবং সবচেয়ে বড় কথা, কোন গ্যাংস্টারদের সঙ্গে ওঁর যোগাযোগ রয়েছে, সবটাই জানা। ওকে ফাঁসি দেওয়া উচিত যাতে প্রত্যেকে এর থেকে শিক্ষা নিতে পারে এবং নিজের ছাত্রকে খুন করার আগে দু'বার চিন্তা করে।’ সাগরের মা আবার বলেছেন, ‘একজন মানুষ, যে আমার ছেলেকে মেরেছে, তাঁর মেন্টর হওয়ার কোনও যোগ্যতা থাকতে পারে না। যা যা পদক সুশীল পেয়েছে, ওর থেকে কেড়ে নেওয়া হোক। আমরা বিশ্বাস রাখছি, পুলিশ ভাল করে তদন্ত করছে। কিন্তু সুশীল ওর রাজনৈতিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারে।’

ছত্রসাল স্টেডিয়ামে জুনিয়র জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সাগর রানা ধনকড় হত্যা মামালায় মূল অভিযুক্ত সুশীল কুমারই। সাগর এবং তাঁর দুই বন্ধু সোনু ও অমিত কুমারকে মারাধর করার অভিযোগ রয়েছে সুশীলের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত সুশীলের মার খেয়েই মারা যান সাগর। এর পর আত্মগোপন করেন ৩৭ বছরের কুস্তিগীর। তাঁকে হন্যে হয়ে খোঁজার পর শেষ পর্যন্ত শনিবার গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। সঙ্গে তাঁর বন্ধু অজয় কুমারকেও গ্রেফতার করা হয়। এর পরে তাঁদের কোর্টে তোলা হলে ছ'দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মৃত সাগর দিল্লি পুলিশের একজন হেড কনস্টেবলের ছেলে। প্রাথমিক ভাবে পার্কিং নিয়ে বচসা থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত বলে শোনা গিয়েছিল। তবে তদন্তে উঠে এসেছে অন্য তথ্যও। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ও নাকি এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। এমনও শোনা যাচ্ছে, শুধু হাতাহাতিতেই বিষয়টি থেমে থাকেনি। গুলিও চালানো হয়েছিল।

বন্ধ করুন