বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > গোখরোকে বিশ্বাস করা যায়, পার্থকে নয়? জেলা সভাপতিকে পুঁটি মাছ বললেন রবীন্দ্রনাথ
রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও পার্থপ্রতীম রায়ের মধ্যে বিগত দিনে সম্পর্ক এমনই নিবিড় ছিল। তবে বর্তমানে তা একেবারে তলানিতে। ফাইল ছবি  (ফাইল ছবি)

গোখরোকে বিশ্বাস করা যায়, পার্থকে নয়? জেলা সভাপতিকে পুঁটি মাছ বললেন রবীন্দ্রনাথ

  • কাকা ভাইপো দ্বৈরথ একেবারে চরমে পৌঁছেছে।ভরা সভায় দলের জেলা সভাপতি পার্থপ্রতীম রায়কে নিশানা করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। তাঁকে বিশ্বাস করে যে ভুল করেছেন সেটা সরাসরি জানিয়ে দেন তিনি।

কোচবিহারে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও পার্থপ্রতীম রায়ের মধ্যে ঝগড়া নতুন কিছু নয়। তবে যতদিন যাচ্ছে তা যেন অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে। আর বৃহস্পতিবার সেই পারস্পরিক ভয়াবহ কাদা ছোঁড়াছুড়ির সাক্ষী থাকল কোচবিহার। অথচ বিগতদিনে কার্যত রবীন্দ্রনাথ ঘোষের হাত ধরেই তৃণমূলের রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়েছিল পার্থপ্রতীম রায়ের। কোচবিহারের রাজনীতিতে কাকা-ভাইপো বলে পরিচিত দুজনে। আর সেই সম্পর্ক এখন এতটাই তলানিতে গিয়েছে যে প্রাক্তন উত্তরবঙ্গমন্ত্রী তথা বর্তমানে কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ভরা সভায় জানিয়েই দিলেন, ওর নাম সুপারিশ করে ভুল করেছিলাম। এখন সেই ভুলের মাসুল গোটা জেলাকে দিতে হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০১৯ সালে পার্থপ্রতীমকে প্রার্থী করার জন্য নেত্রীর কাছে সুপারিশ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এরপর পার্থপ্রতীম সাংসদও হয়ে যান। তারপর তোর্ষা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। বর্তমানে দলের জেলা সভাপতি পার্থপ্রতীম রায়। অতীতের সেই স্নেহভাজন শিষ্য পার্থপ্রতীমকে আর বিশ্বাস করতে পারেন না রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। 

ভরা সভায় তিনি বলেছেন, ‘ও রাতে বিজেপির সাথে পিকনিক খায়। দিনের বেলা বড় তৃণমূলী হয়। ও হচ্ছে পুঁটি মাছ। পুঁটি মাছের জীবন যতটুকু ওর সভাপতি পদও ততটুকু। গোখরো সাপকে ভরসা করা যায়, তার সঙ্গে বিছানায় শোওয়া যায়। কিন্তু যার নাম সেদিন সুপারিশ করেছিলাম তাকে আর বিশ্বাস করা যায় না।’

আর এনিয়ে পার্থপ্রতীম রায়ের মন্তব্য, কে কোথায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তা নিয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। কোর কমিটির মিটিংয়ে এনিয়ে আলোচনা হবে।

বন্ধ করুন