বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘গাড়িতে তুলছিল না পুলিশ’, সল্টলেকের গেস্ট হাউসে বিস্ফোরণ, ঝলসে গেলেন মহিলা
এই গেস্ট হাউসে বিস্ফোরণ হয়েছে।

‘গাড়িতে তুলছিল না পুলিশ’, সল্টলেকের গেস্ট হাউসে বিস্ফোরণ, ঝলসে গেলেন মহিলা

  • স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রাথমিকভাবে ওই মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে গড়িমসি করছিল। চেঁচামেচি করতে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়।

বিস্ফোরণ হল সল্টলেকের একটি গেস্ট হাউসে। গুরুতর আহত হয়েছেন এক মহিলা। তাঁকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রাথমিকভাবে ওই মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে গড়িমসি করছিল। চেঁচামেচি করতে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়।

বৃহস্পতিবার রাত ন'টা নাগাদ সল্টলেকের ওই গেস্ট হাউস থেকে বিস্ফোরণের মতো শব্দ পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই আবাসনের চারতলার গেস্ট হাউসে বিস্ফোরণ হয়েছে। যে ঘরে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেই ঘরের দরজা ভেঙে এক মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁকে ভরতি করা হয়েছে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে। তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকল। পৌঁছে যায় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশও। যদিও পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সুস্মিতা গিরি নামে ওই আবাসনের এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা তিন তলায় থাকি। গেস্ট হাউজ চারতলায় আছে। আমরা আচমকা বিস্ফোরণের আওয়াজ পাই। আমরা ওখানে গিয়ে দেখি যে একজন ভদ্রমহিলা পুরোপুরি ঝলসে গিয়েছন।’ তাঁর দাবি, দেহে প্রাণ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ওই মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইছিল না পুলিশ। তা নিয়ে তাঁরা চেঁচামেচি শুরু করেন। তারপর মহিলাকে গাড়িতে তোলে পুলিশ। সেই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধাক্কা মেরে তাঁদেরও পুলিশের সঙ্গে যেতে বলা হয় বলে অভিযোগ। তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্থ ধস্তাধস্তি হয় বলে দাবি করেছেন ওই মহিলা।

তবে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। অন্যদিকে, বিস্ফোরণের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে অনুমান, গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই বিস্ফোরণ হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

বন্ধ করুন