বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কবে শুরু হবে CCTV বসানোর কাজ, উত্তর দিলেন JU-র রেজিস্ট্রার

কবে শুরু হবে CCTV বসানোর কাজ, উত্তর দিলেন JU-র রেজিস্ট্রার

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এই প্রস্তাব উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে সিসিটিভি বসানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। দফতরের তরফে মৌখিকভাবে সিসিটিভি বসানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এর জন্য কিছু সময় লাগবে বলেই তিনি জানান। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, আর্থিক সাহায্যের জন্য এই প্রস্তাব পাঠানো হবে অর্থ দফতরে। 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বসানো হবে সিসিটিভি। প্রতীকী ছবি

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুর পরেই ক্যাম্পাস এবং হস্টেলে সিসিটিভি বসানোর দাবি ওঠে। সেইমতোই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি বসানোর কথা জানিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ প্রথমের দিকে সিসিটিভি বসানোর বিপক্ষে থাকলেও পরে তিনি সিসিটিভি বসানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু, এখনও ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানোর কাজ শুরু হয়নি। কবে সেই কাজ শুরু হবে? সে বিষয় স্পষ্ট করলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু।

আরও পড়ুন: ভবিষ্যতে ওরা চন্দ্রযান মিশনে যেতে পারত, যাদবপুর কাণ্ডে বললেন অভিযুক্তের উকিল

তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এই প্রস্তাব উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে সিসিটিভি বসানোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। দফতরের তরফে মৌখিকভাবে সিসিটিভি বসানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এর জন্য কিছু সময় লাগবে বলেই তিনি জানান। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, আর্থিক সাহায্যের জন্য এই প্রস্তাব পাঠানো হবে অর্থ দফতরে।  এরপর অর্থ দফতরের অনুমোদন মিললেই আর্থিক সাহায্য পাওয়া যাবে। তারপরে সিসিটিভি বসানো কাজ শুরু হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় চাইছে পূর্ত দফতর এই কাজের দায়িত্ব নিক। অর্থাৎ নিয়ম মেনে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গেলে বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন রেজিস্ট্রার। অন্যদিকে, আজ উচ্চশিক্ষা দফতরের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আসার কথা। সেই কমিটির কাছেও সিসিটিভি নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার। এর পাশাপাশি অ্যান্টি র‍্যাগিং নিয়ে আলোচনা করবে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি।

উল্লেখ্য, গত ৯ অগস্ট যাদবপুর হস্টেলের তিন তালার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার। সেই ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পুলিশ তদন্তে জানতে পারে, পড়ুয়াকে নগ্ন করে বারান্দায় হাঁটানো হয়েছিল। এরপরই বারান্দা থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এবং হস্টেলের বিভিন্ন জায়গায় মোট ২৬ টি সিসিটিভি বসানো হবে বলে জানিয়েছিলাম অস্থায়ী উপাচার্য। 

তবে ঘটনার পরে সিসিটিভি বসানোর দাবি উঠলেও পড়ুয়াদের একাংশ তার বিরোধিতা করে। এদিকে ছাত্র মৃত্যুতে ধৃত ৬ পড়ুয়াকে আদালতে তোলা হলে তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল এবং ল্যাপটপ ফরেনসিকের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত সেই রিপোর্ট হাতে পাইনি পুলিশ। রিপোর্ট হাতে পেলেই বোঝা যাবে ল্যাপটপ বা মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছিল কিনা।