বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মানিকতলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুন নাকি আত্মহত্যা?‌ তদন্তে পুলিশ
গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।

মানিকতলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুন নাকি আত্মহত্যা?‌ তদন্তে পুলিশ

  • শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন করেই বিপাশার আত্মহত্যার খবর বাপেরবাড়িকে দেওয়া হয়েছিল। তখন বিপাশার বাবা সত্য হালদার মানিকতলায় ছুটে আসেন। দোতলার ঘরে পাখার সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায় মেয়ের দেহ। এই ঘটনা নিয়ে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে কিছু জানানো হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে।

শ্বশুরবাড়ি থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ। পারিবারিক অশান্তি থেকেই এই আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নেপথ্যে অন্য কোনও ঘটনা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খাস কলকাতায় মানিকতলার ক্ষুদিরামপল্লি এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

ঠিক কী জানা যাচ্ছে?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত গৃহবধূর নাম বিপাশা হালদার (২৪)। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক অশান্তি নেমে এসেছিল ওই যুবতী গৃহবধূর জীবনে। সোমবার তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় প্রতিবেশীরা ওই বধূর শ্বশুরবাড়িতে ক্ষোভ উগড়ে দেন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তবে বিপাশার স্বামী পলাতক। বিপাশার পরিবারের পক্ষ থেকে মানিকতলা থানায় তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে একটি খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়।

ঠিক কী অভিযোগ পরিবারের?‌ বিপাশার বাবা সত্য হালদার বলেন, ‘‌সাত বছর আগে বড় মেয়ে বিপাশার বিয়ে হয়েছিল। তাঁর একটি তিন মাসের ছেলে আছে। বিয়ের পর থেকেই আর্থিক বিষয়ে শ্বশুরবাড়িতে মেয়ের উপর অত্যাচার করা হতো। বিপাশার স্বামী মাইক ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করে। বিপাশাকে খুন করা হয়েছে।’‌

ঠিক কী ঘটেছে মানিকতলায়?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন করেই বিপাশার আত্মহত্যার খবর বাপেরবাড়িকে দেওয়া হয়েছিল। তখন বিপাশার বাবা সত্য হালদার মানিকতলায় ছুটে আসেন। দোতলার ঘরে পাখার সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায় মেয়ের দেহ। এই ঘটনা নিয়ে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে কিছু জানানো হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে।

বন্ধ করুন