বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’র রিমেক! দেখুন নতুন রাজ-সিমরানকে..
ছবি সৌজন্যে ইনস্টাগ্রাম ভিডিও
ছবি সৌজন্যে ইনস্টাগ্রাম ভিডিও

‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’র রিমেক! দেখুন নতুন রাজ-সিমরানকে..

  • দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে গানের অনুকরণে একটি ভিডিও পোস্ট করেন নুসরত ভারুচা।যেখানে পর্দার রাজ হয়ে উঠলেন রাজ কুমার রাও। আর হলুদ সরষে খেতে সিমরণ ‘নুসরত’। 

ছলাং’এর অভিনেত্রী নুসরত ভারুচা ও সহ অভিনেতা রাজকুমার রাও সম্প্রতি শাহরুখ-কাজলের দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে গানের অনুকরণে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে নুসরত সিনেমার একটি সংলাপ ক্যাপশানে লেখেন, ‘বড় বড় দেশে এমন মিষ্টি মিষ্টি ভিডিও তৈরি হয়েই থাকে @rajkummar_rao.‘

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নুসরত হলুদ সরষে খেতের মধ্যে দিয়ে ‘রাজ’ বলে ডাকতে ডাকতে রাজকুমার রাওকে এসে জড়িয়ে ধরেন। অপরদিকে, রাজকুমার রাও নিজেও নুসরতকে ‘সিমরান’ বলে ডাকছেন। এরপরই রাজকুমার রাও খালি গলায় ‘তুঝে দেখা তো এ জানা সানাম’ গান গাইতে শুরু করেন। এযেন সিনেপ্রেমীদের কাছে দারুণ মজার ব্যাপার। মজা করা ভিডিওটি নেটদুনিয়ায় শোরগোল ফেলে দেয়।

গত সপ্তাহে হনসল মেহেতার ‘ছলাং’ রিলিজ করে অ্যামাজন প্রাইমে। সেখানে অভিনয় করতে দেখা যায় নুসরত ভারুচা ও রাজকুমার রাও-কে। ছবিতে রাজুমার রাও একজন নিজের চাকরিতে অনিচ্ছুক পিটি শিক্ষকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। অন্যদিকে, নুসরতকে দেখা গিয়েছে একজন কম্পিউটার শিক্ষিকার ভূমিকায়। 

সমালোচকদের কাছে ‘ছলাং’ যথেষ্ট ভালো রিভিউ পেয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের রিভিউতে ছবিটিকে, ‘একদম আকর্ষনীয়, দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং দারুণ স্ক্রিপ্ট বলা হয়েছে।‘

হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে জানিয়েছিলেন নুসরত। অভিনেত্রীর কথায়,  শ্যুটিং এর প্রথম দিনে তাঁকে হরিয়ানার ভাষায় লম্বা ডায়লগ বলতে বলা হয়েছিল। খুব তাড়াতাড়ি ডায়লগ বলতে হবে তাঁকে। অন্যদিকে সঙ্গে রয়েছেন রাজকুমার রাও, সৌরভ শুক্ল, সতীশ কৌশিক এর মতো তাবড় তাবড় অভিনেতাররা।একটু ভয়েই ছিলেন নুসরত, সংলাপ বলতে গিয়ে কথা জড়িয়ে যায় নায়িকার। এরপর গোটা ইউনিটের সামনে পরিচালক হনসল মেহতা চিত্কার বলে ওঠেন-'তুমি এটা কি করছ? এত সোজা একটা সংলাপ বলতে ৫ মিনিট সময় লাগছে তোমার!' তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছিল এটা আমার দ্বারা হবে না, কারণ আমি ১ টেকে না পারলে ১০ টেকেও পারি না, ১৫ নম্বর টেক চলার পর সবাই হাসাহাসি শুরু করে দেয়। পরে জানলাম গোটাটাই ইউনিটের সকলের প্ল্যানিং ছিল। হনসল স্যারের আমার উপর চিত্কার করাটা মজা করে করা হয়েছে’। এরপর হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন নুসরত। 

বন্ধ করুন