বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > ‘আমার ছেলে-মেয়েরা হাউহাউ করে কেঁদেছে’, টিভি শো-র ট্রোলিং নিয়ে লাইভে ক্ষোভ ইমনের
ইমন চক্রবর্তী (ছবি ইনস্টাগ্রাম)

‘আমার ছেলে-মেয়েরা হাউহাউ করে কেঁদেছে’, টিভি শো-র ট্রোলিং নিয়ে লাইভে ক্ষোভ ইমনের

  • রবিবার সকালে টিভিতে হওয়া এক গানের অনুষ্ঠান সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হলে কিছু ট্রোলিং হয়। তাই নিয়েই রাগ উগড়ে দেন গায়িকা।

সোমবার বিকেলে সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎই লাইভে এলেন ইমন চক্রবর্তী। এভাবে লাইভ করার জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন প্রথমেই। আর তারপরেই নিজের একগুচ্ছ ক্ষোভ উগড়ে দেন! নাম না করেও কিছু মানুষকে লক্ষ্য করে নিজের বিরক্তি প্রকাশ করেন এই গায়িকা।

ইমন লাইভে জানান রবিবার সকালে আকাশ আট চ্যানেলের ‘গুডমর্নিং আকাশ’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন ইমনের কিছু শিক্ষার্থী। একসাথেই গান পরিবেশন করেন তাঁরা। আর যা আকাশ আটের অফিসিয়াল পেজে শেয়ারও করা হয়েছিল। সেখানে পড়া বিরূপ মন্তব্য নিয়েই ইমনের এই ক্ষোভ। 

ইমন এদিন লাইভে জানান, ‘যেভাবে অকথ্য ভাষায় আমার শিক্ষার্থীদের তা একজন শিক্ষিকা হিসেবে আমার পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব না।’ সঙ্গে ইমন প্রশ্ন তোলেন, যাঁরা গানের সুর বা তাল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা কতটা গান জানেন। গায়িকা এটাও জানান, তিনি প্রথমদিকে ব্যাপারটা পাত্তা না দেওয়ার কথাই ভেবেছিলেন। কিন্তু পরে তাঁর মনে হয় নিজের শিক্ষার্থীদের জন্য, নিজের ছোট-ছোট ছেলেমেয়েগুলোর জন্য তাঁর প্রতিবাদ করা উচিত। 

ফেসবুক লাইভে নাম না করে এক ব্যক্তির উল্লেখ করেন ইমন। বারবার বলেন, ‘শ্মশানে গান গেয়েছে…’! এমনকী, গায়িকার এক ঘনিষ্ঠ সেই ব্যক্তির প্রোফাইলের লিঙ্কও শেয়ার করে দেন লাইভে। সব মিলিয়ে যাকে বলে সোমবার বিকেলে ধুন্ধুমার এক কাণ্ড!

ইমন আরও জানান, ‘শুধু যে আমার সাথে হয়েছে এমন নয়। আমার জায়গায় কেউ যদি নিজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে যেত তাহলেও এরা এরকমই করত। এরা মানুষকে এগিয়ে যেতে দিতে পারে না।’ সঙ্গে ইমন বারবার জানান, তাঁর বিশ্বাস তিনি যখন না থাকবেন তখন তাঁর এই শিক্ষার্থীরাই গানের জগতে নাম তৈরি করবেন। কারণ, তাঁর বিশ্বাস সবারই নিজস্ব একটা সময় আছে, তারপর অন্য কেউ সেই জায়গায় আসে। আগেও তেমনটা হয়েছে, আর পরেও হবে!

লাইভে এসে ইমনকে ভরে ভরে প্রশংসা করেছেন অনুরাগীরা। বেশিরভাগই জানিয়েছেন, আকাশ আটে রবিবার সকালের অনুষ্ঠান ছিল অনবদ্য। তাঁদের ভালো লেগেছে। সঙ্গে করোনার পরে ইমনের স্বাস্থ্য নিয়েও চিন্তা প্রকাশ করেন কেউ কেউ। শারীরিক সমস্যার মধ্যে ‘বাজে বিষয়’ নিয়ে বেশি মাথা না ঘামাতে অনুরোধ করেন।

বন্ধ করুন