ঘর ভাঙার আসল কারণটা কী?
ঘর ভাঙার আসল কারণটা কী?

কেন ভেঙে ছিল হৃত্বিক-সুজানের ঘর? ডিভোর্সের কারণ জানুন সুজানের কাছে

  • আজও তাঁদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক অটুট। বাবা-মা হিসাবেও একসঙ্গেই সব দায়িত্ব ভাগ করে নেন তাঁরা। তবুও ছোটবেলার বন্ধুর সঙ্গে কেন ভেঙেছিল হৃত্বিকের ১৩ বছর দীর্ঘ বিবাহ সম্পর্ক? কারণ জানিয়েছেন সুজান খান।

সালটা ২০১৩। বিয়ের প্রায় ১৩ বছর পর আচমকাই একদিন আলাদা হয়ে হাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন বলিউডের চর্চিত দম্পতি হৃত্বিক-সুজান। কেন ভেঙেছিল হৃত্বিক-সুজানের সুখের ঘর? এই প্রশ্ন তাড়া করে বেড়িয়েছিল হৃত্বিক ভক্তদের।

প্রেম সম্পর্কটা কোনদিনই রাখেননি হৃত্বিক। ২০০০ সালের জানুয়ারিতে কহো না প্যায়ার হ্যায়ের সঙ্গে রূপোলি দুনিয়ায় গ্র্যান্ড এন্টি নিয়েছিলেন হৃত্বিক। রাতারাতি গোটা দেশে সুপারস্টারের তকমা পেয়েছিল বছর ছাব্বিশের হৃত্বিক। পেয়েছিলেন কয়েক হাজার প্রেম প্রস্তাব। তবে হৃত্বিক জানিয়েছিলেন তিনি কমি়টেড। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ২০০০-এর ডিসেম্বরেই সাত পাকে বাঁধা পড়েন দীর্ঘদিনের বান্ধবী সুজানের সঙ্গে। তাঁদের দুই ছেলে রিহান ও রিদানকে নিয়ে সুখে কাটছিল সংসার। কিন্তু আচমকাই ছন্দ পতন। হৃত্বিকের সঙ্গে ডিভোর্স প্রসঙ্গে সুজান প্রথম মুখ খোলেন ২০১৬ সালে। ফেমিনাকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে সুজান জানিয়েছিলেন, আমরা আমাদের জীবনে এমন একটা ধাপে পৌঁছে গিয়েছিলাম যখন মনে হয়েছিল আমাদের একসঙ্গে থাকাটা বোধহয় ঠিক নয়। সম্পর্ক নিয়ে সচেতন থাকাটা খুব জরুরি। কোনও মিথ্যা সম্পর্কে আটকে থাকা উচিত নয়’।

দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টানলেও এখনও খুব ভালো বন্ধু হৃত্বিক-সুজান। রেহান ও রিদানের বাবা-মা হিসাবে একসঙ্গেই সব দায়িত্ব পালন করেন তাঁরা। তাই ডিনার ডেট হোক বা সামার ভ্যাকেশন, মুভি নাইট হোক বা পুজোর অনুষ্ঠান- প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে হামেশাই দেখা যায় সুজানকে।

ঘরবন্দির সময় যাতে দুই ছেলের কোনও অসুবিধা না হয় সেই কারণে আপতত হৃত্বিকের সঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকছেন সুজান। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে একথা নিজেই জানিয়েছিলেন হৃত্বিক।

প্রাক্তন পত্নীকে নিয়ে গর্বিত হৃত্বিক লেখেন, এটা অভাবনীয় আমার জন্য যে এইরকম একটা সময়ে আমাকে আমার সন্তানকে ছেড়ে থাকতে হবে! যখন গোটা দেশ লকডাউনের আওতায়। এইরকম অনিশ্চয়তাপূর্ন এক পরিস্থিতি, যখন হয়ত বেশ কয়েকমাস আমাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে পাশাপাশি কয়েক সপ্তাহ লকডাউনের আওতায় থাকতে হবে তখন সবাইকে একজোট হতে দেখে মন ভালো হয়ে যাচ্ছে। সারা পৃথিবী যখন মানবতার কথা বলছে, একজোট হয়ে লড়াইয়ের কথা বলছে তখন সেটা শুধুমাত্র একটা ভাবনায় সীমাবদ্ধ থাকে না, বিশেষত সেই সব বাবা-মায়েদের ক্ষেত্রে যারা তাদের সন্তানদের দায়িত্ব ভাগ করে নেন। কেমনভাবে সন্তানদের নিজেদের কাছে রাখতে হবে, একে অপরের অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে সেটা বোঝবার কারণ অন্যেরও নিজের সন্তানের উপর সমান অধিকার রয়েছে।



বন্ধ করুন