বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > বিপাকে পড়ছেন কোভ্যাক্সিন পাওয়া ভারতীয় পড়ুয়ারা, আমেরিকাকে জানাল ভারত
বিপাকে পড়ছেন কোভ্যাক্সিন পাওয়া ভারতীয় পড়ুয়ারা, আমেরিকাকে জানাল ভারত। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
বিপাকে পড়ছেন কোভ্যাক্সিন পাওয়া ভারতীয় পড়ুয়ারা, আমেরিকাকে জানাল ভারত। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

বিপাকে পড়ছেন কোভ্যাক্সিন পাওয়া ভারতীয় পড়ুয়ারা, আমেরিকাকে জানাল ভারত

এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) ছাড়পত্র পায়নি কোভ্যাক্সিন।

এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) ছাড়পত্র মেলেনি। তার জেরে আমেরিকায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে কোভ্যাক্সিন পাওয়া ভারতীয় পড়ুয়াদের। এবার সেই বিষয়টি উঠে এল ভারতের বিদেশসচিব হর্ষ স্রিংলা এবং ভারতে মার্কিন চার্জ ডি'অ্যাফেয়ার্স ড্যানিয়েল স্মিথের আলোচনায়। এমনটাই জানিয়েছেন বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা।

সেই বৈঠকের পর বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি দাবি করেছেন, ‘ইতিবাচক’ বৈঠক হয়েছে। তবে কোভ্যাক্সিন পাওয়া ভারতীয় পড়ুয়াদের নিয়ে কোনও আলোচনা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে সাউথ ব্লকের তরফে কিছু জানানো হয়নি। যে পড়ুয়ারা আমেরিকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন। নাম গোপন রাখার শর্তে আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কোভ্যাক্সিন নেওয়ার ভারতীয় পড়ুয়াদের যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, তা মার্কিন প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন স্রিংলা। প্রত্যুত্তরে স্মিথ জানিয়েছেন যে তিনি বিষয়টি মার্কিন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। 

আপাতত ভারতে মূলত কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রোজেনেকার করোনা টিকা। যে বিদেশিরা কোভিশিল্ড নিয়ে আমেরিকায় প্রবেশ করতে চাইছেন, তাঁদের ঢোকার অনুমতি দিয়েছে মার্কিন সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন। তবে কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে সেরকম অনুমতি দেওয়া হয়নি।

তবে কয়েকদিন আগেও কোভিশিল্ডে ছাড়পত্র থাকলেও অক্সফোর্ডের টিকাপ্রাপকদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল। অনেক দেশের তরফে সাফ জানানো হয়, টিকার দুটি ডোজ নেওয়া থাকলে তবেই ঢোকার ছাড়পত্র দেওয়া হবে। কিন্তু তার জেরে সমস্যায় পড়েন বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাওয়া ভারতীয় পড়ুয়ারা। একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় চাকরির জন্য বিদেশে যেতে চাওয়া ভারতীয়দেরও। সেই পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, বিশেষ ক্ষেত্রে ২৮ দিনের ব্যবধানে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজ নেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। সেইমতো যাঁরা পড়াশোনা বা কর্মসূত্রে বিদেশে যাবেন এবং খেলোয়াড় ও ক্রীড়াব্যক্তিরা অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করবেন, তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ প্রক্রিয়ায় গতি আনার জন্য রাজ্যগুলিকে প্রতিটি জেলায় নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আপাতত সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে প্রথম ডোজ নেওয়ার ন্যূনতম ৮৪ দিন পর পাওয়া যায় কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় ডোজ।

বন্ধ করুন