বাড়ি > ঘরে বাইরে > Nirbhaya convicts' hanging: কীভাবে নির্ভয়া দণ্ডিতদের ফাঁসি দিলেন পবন জল্লাদ? সামনে এল অজানা তথ্য
ফাঁসির পর পরিশ্রান্তি নির্ভয়ার মা আশাদেবীর (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
ফাঁসির পর পরিশ্রান্তি নির্ভয়ার মা আশাদেবীর (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

Nirbhaya convicts' hanging: কীভাবে নির্ভয়া দণ্ডিতদের ফাঁসি দিলেন পবন জল্লাদ? সামনে এল অজানা তথ্য

ফাঁসুড়ে জানান, হাঁটার মতো অবস্থায় ছিল না নির্ভয়ার দণ্ডিতরা। গলায় ফাঁসির দড়ি জড়ানোর আগে পর্যন্ত বিড়বিড় করছিল - 'আমাদের ক্ষমা করে দিন'।

ফাঁসি হচ্ছে চারজনের। আর ফাঁসুড়ে একজন। অথচ সবাইকে একসঙ্গে ফাঁসি দেওয়ার কথা। সেই পরিস্থিতিতে ফাঁসুড়ে পবন জল্লাদকে ফাঁসির হাতল টানতে সাহায্য করেছিল জেল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন :Nirbhaya convicts' hanging: চমকে দেওয়ার মতো শেষ ইচ্ছা মুকেশ ও বিনয়ের

গত শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় ফাঁসি হয় নির্ভয়াকাণ্ডে চার দণ্ডিত - মুকেশ সিং, অক্ষয় ঠাকুর, পবন গুপ্ত ও বিনয় শর্মার। কিন্তু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবথেকে বড় জেলে কোনও স্থায়ী ফাঁসুড়ে না থাকায় মীরাট থেকে পবন জল্লাদকে নিয়ে আসে তিহাড় কর্তৃপক্ষ। তবে তাতেও সমস্যা ছিল। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, চার দণ্ডিতকেই একসঙ্গে ফাঁসি দিতে হত। যা একা পবনের পক্ষে সম্ভব ছিল না। সেজন্য ফাঁসির হাতল টানতে তাঁকে সাহায্য করেন জেলের আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন : Nirbhaya convicts: নির্ভয়ার ৬ খুনির আসল পরিচয় কী, জানুন ঝলকে

সংবাদসংস্থা আইএএনএস জানায়, ঠিক ভোর সাড়ে পাঁচটায় ফাঁসির হাতল টানার ইশারা করেন জেলের সুপারিটেনডেন্ট এস সুনীল। কিন্তু একজন ফাঁসুড়ে থাকায় জেলকর্মীরাও ফাঁসির হাতল টানতে সাহায্য করেন। ৩০ মিনিট পর চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

আরও পড়ুন :Nirbhaya Hanging: নির্ভয়া দণ্ডিতদের ফাঁসি দিতে পেরে খুশি, মন্তব্য ফাঁসুড়ে পবনের

তারপর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মীরাটে রওনা দেন ফাঁসুড়ে। রাত আটটা নাগাদ মীরাটে পৌঁছান তিনি। মীরাটের জেল আধিকারিককে রিপোর্ট দেন। পরে 'হিন্দুস্তান'-এর সঙ্গে কথা বলার সময় পবন জানান, ফাঁসির জন্য তিনদিন ধরে তিহাড়ের গেস্ট হাউসে থাকছিলেন। ফাঁসির আগের রাতে তিনটে নাগাদ তাঁকে ডাকতে আসেন জেলের আধিকারিকরা। তারপর স্নান করে হালকা প্রাতঃরাশ সারেন। চারটে নাগাদ ফাঁসিঘরে পৌঁছান।

আরও পড়ুন : Nirbhaya Hanging: 'অবশেষে মেয়ে বিচার পেল,অন্য মেয়েদের জন্য লড়াই জারি থাকবে', বললেন নির্ভয়ার মা

ফাঁসির সময় কীরকম ছিল দণ্ডিতদের অবস্থা? পবন জানান, চারজনের মুখ কালো কাপড়ে ঢাকা ছিল। তাই তাদের মনের অবস্থা অনুধাবন করতে পারেননি। পবনের কথায়, 'তবে ওদের যখন ফাঁসিকক্ষে আনা হয়, তখন ওরা গুম মেরে ছিল। হাঁটার মতো অবস্থায় ছিল না। গলায় ফাঁসির দড়ি জড়ানোর আগে পর্যন্ত বিড়বিড় করে বলছিল - আমাদের ক্ষমা করে দিন। তারপর ঘড়ির কাঁটা ঠিক সাড়ে পাঁচটা ছুঁতেই ফাঁসি দেওয়া হয়।' :

বন্ধ করুন