বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > জানুয়ারির শেষে মুক্তি পেতে পারেন শশিকলা, বিধানসভা ভোটে পড়বে প্রভাব
জানুয়ারিতে শশিকলা কারামুক্ত হলে তামিল নাডুর রাজনৈতিক সমীকরণ ও ক্ষমতায়নের প্রেক্ষিতে বড়সড় রদবদল ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
জানুয়ারিতে শশিকলা কারামুক্ত হলে তামিল নাডুর রাজনৈতিক সমীকরণ ও ক্ষমতায়নের প্রেক্ষিতে বড়সড় রদবদল ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

জানুয়ারির শেষে মুক্তি পেতে পারেন শশিকলা, বিধানসভা ভোটে পড়বে প্রভাব

  • বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে তামিল নাডু বিধানসভা নির্বাচনের আগে এআইএডিএমকে-তে এখনও রয়ে যাওয়া তাঁর অনুগামীদের সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশেই মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের শেষে জেল থেকে মুক্তি পেতে পারেন তামিল নাডুর বহিষ্কৃত এআইএডিএমকে নেত্রী তথা প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার একদা ঘনিষ্ঠ ভি কে শশিকলা। বুধবার বেঙ্গালুরুর আদালতে ২০১৭ সালে দায়ের হওয়া এক আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তাঁর আইনজীবীরা ১০ কোটি টাকা জরিমানা জমা দেওয়ার পরে এই সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে তামিল নাডু বিধানসভা নির্বাচনের আগে এআইএডিএমকে-তে এখনও রয়ে যাওয়া তাঁর অনুগামীদের সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

তামিল নাডুর মুখ্যমন্ত্রী এদাপ্পাই পালানিস্বামী অবশ্য বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আমার মতে, এতে কিছুই বদলাবে না।’

আর্থিক দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে আদালতের নির্দেশে ৪ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে আপাতত পারাপ্পানা অগ্রহারে বেঙ্গালুরু কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন শশিকলা। পাশাপাশি, ওই মামলার রায়ে তাঁর ১০ কোটি টাকা জরিমানা হয়, অনাদায়ে আরও ১৩ মাস জেলবাস হত প্রাক্তন নেত্রীর।  

তাঁর আইনজীবী রাজাসেন্তুর পান্ডিয়ান জানিয়েছেন, আদালত জরিমানার অর্থ গ্রহণ করেছে এবং ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখের মধ্যে শশিকলার মুক্তি আসন্ন।

পান্ডিয়ান আরও জানিয়েছেন, ‘২০১৮ সালের মার্চ মাসে ১২ দিন এবং তার আগে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে স্বামীর মৃত্যুর কারণে ৫ দিন প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন শশিকলা। তা বাদ দিয়ে তাঁর কারাবাসের মেয়াদ হ্রাস পেতে পারে। ইতিমধ্যে ভালো আচরণের কারণে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এ পর্যন্ত প্রতি মাসে তাঁর তিনি দিন কারাবাস মকুব করা হয়েছে।’

পালানিস্বামী যা-ই বলুন, আগামী বছরে শশিকলা কারামুক্ত হলে তামিল নাডুর রাজনৈতিক সমীকরণ ও ক্ষমতায়নের প্রেক্ষিতে বড়সড় রদবদল ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার কারণে দুই বছর গণনির্বাচনে অংশ নিতে না পারলেও, রাজ্য রাজনীতিতে তাঁর উপস্থিতি ভোটবাক্সে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

বন্ধ করুন