পাকিস্তান থেকে ভারতে বিয়ে করতে এসেছেন সীমা হায়দার। পাবজি খেলতে গিয়ে ভারতের যুবক সচিনের সঙ্গে তার প্রেম। তবে সীমার সম্পর্কে নানা কথা রটেছে ইতিমধ্য়েই। তবে সীমা কিছুতেই আর পাকিস্তানে ফিরতে চান না।
এদিকে সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের কাছে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্য়মন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেখানেই সীমার প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেখানে যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, এটা দুদেশের মধ্যে ব্যাপার। সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা এনিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কাছ থেকে রিপোর্ট আসার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে গত ২১ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এপি সিং সীমার পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে আবেদন করেন। তাঁকে পাকিস্তানে যাতে আর না পাঠানো হয় তার আবেদন করেন তিনি। সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রাক্তন স্বামী গুলাম হায়দারের সঙ্গে সীমার ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে। তিনি সচিনের সঙ্গে থাকতে চান। তাঁকে এখন পাকিস্তানে পাঠানো হলে তার জীবন বিপন্ন হতে পারে। তবে এনিয়ে কোনও সন্দেহ থাকলে তদন্ত করা যেতে পারে। জানিয়েছেন ওই আইনজীবী।
সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছিলেন, এজেন্সি মনে করলে পলিগ্রাফ, ব্রেন ম্যাপিং সহ যাবতীয় কাজ করতে পারে। তবে সচিনের স্ত্রী হিসাবে তাকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হোক।
এদিকে সীমা-সচিনের প্রেমের এই উপাখ্য়ান এখন বহু চর্চিত। তবে এসবের মধ্য়েই সীমা সম্পর্কে নানা সন্দেহ করছেন অনেকেই। এটিএসও বার বার জেরা করেছে সীমাকে, সচিনকে। আসলে সীমার ভারতে আসার পেছনে অন্য কোনও গল্প আছে কি না সেটাই জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। সীমা পাক চর কি না সেটাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সোশ্য়াল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠছে, সীমার মতো সুন্দরী কীভাবে সচিনের মতো সাধারণ যুবকের প্রেমে পড়লেন?
তবে সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন সীমা। তিনি জানিয়েছেন, সচিনকে তিনি ভালোবাসেন। তিনি সচিনকে ভালোবেসে এখানেই থাকবেন। তার জন্য মারা যাবেন। কিন্তু তবু ভালোবাসা ছাড়বেন না।
পাবজি খেলতে গিয়ে ভারতীয় যুবক সচিনের সঙ্গে আলাপ হয়েছিল সীমার। এরপর অবৈধ পথে তিনি চলে আসেন ভারতে। এরপরই নানা কথা উঠতে থাকে। সত্যিই কি প্রেমের টানে ভারতে নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য় কিছু?
তবে সীমা বার বার জানিয়েছেন, আমি ভালোবাসি সচিনকে। ওর সঙ্গে থাকব বলে ভারতে এসেছি। তিনি হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলেও জানিয়েছেন। এমনকী সাধারণ চেহারার সচিনকে কেন তিনি ভালোবাসেন সেকথাও জানালেন সীমা।