বাড়ি > ছবিঘর > ধসে এখনও বিপর্যস্ত সিকিম, চিন সীমান্তের একাংশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ

ধসে এখনও বিপর্যস্ত সিকিম, চিন সীমান্তের একাংশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ

  • অসংখ্য ছোটো-বড় ধসের জেরে বিপর্যস্ত সিকিমের একাংশ। তার জেরে উত্তর সিকিমের ভারত-চিন সীমান্তে সেনার চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দেখে নিন বিপর্যস্ত সিকিমের চিত্র এবং জানুন সাম্প্রতিক তথ্য -
দিকচু থেকে ছুনথাং পর্যন্ত পাঁচটি বড় ধসের ঘটনায় উত্তর সিকিমে চিন সীমান্তের একাংশের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। গৃহহীন হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। মানগানের ১০ কিলোমিটার দূরে ডজোঙ্গুের পাসিংডঙ্গ থেকে সব গ্রামবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। যে এলাকাটি সবথেকে বেশি বিপর্যস্ত। মানগান এবং উত্তর জেলার সদর শহর ছুনথাং সংযোগকারী প্রধান হাইওয়ে বন্ধ রয়েছে। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
1/4দিকচু থেকে ছুনথাং পর্যন্ত পাঁচটি বড় ধসের ঘটনায় উত্তর সিকিমে চিন সীমান্তের একাংশের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। গৃহহীন হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। মানগানের ১০ কিলোমিটার দূরে ডজোঙ্গুের পাসিংডঙ্গ থেকে সব গ্রামবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। যে এলাকাটি সবথেকে বেশি বিপর্যস্ত। মানগান এবং উত্তর জেলার সদর শহর ছুনথাং সংযোগকারী প্রধান হাইওয়ে বন্ধ রয়েছে। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা মেরামতের কাজ করছে বর্ডার রোডস অর্গাইজেশন (বিআরও)। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতীয় সেনার এক আধিকারিক বলেন, 'ভারত-চিন সীমান্তগামী রাস্তা অনেক সময়েই ধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরকম পরিস্থিতিতে সবপক্ষ একসঙ্গে কাজ করে।' (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
2/4যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা মেরামতের কাজ করছে বর্ডার রোডস অর্গাইজেশন (বিআরও)। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতীয় সেনার এক আধিকারিক বলেন, 'ভারত-চিন সীমান্তগামী রাস্তা অনেক সময়েই ধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরকম পরিস্থিতিতে সবপক্ষ একসঙ্গে কাজ করে।' (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
সোমবার উত্তর সিকিমের ডজোঙ্গু এলাকা পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী পি এস তামাং। সিকিমের আবহাওয়া অফিসের আঞ্চলিক অধিকর্তা জানান, রবিবার পর্যন্ত সিকিমের অনেক এলাকায় একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। গত ২৪ জুন থেকে পরবর্তী চারদিনে মানগান ৬১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
3/4সোমবার উত্তর সিকিমের ডজোঙ্গু এলাকা পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী পি এস তামাং। সিকিমের আবহাওয়া অফিসের আঞ্চলিক অধিকর্তা জানান, রবিবার পর্যন্ত সিকিমের অনেক এলাকায় একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। গত ২৪ জুন থেকে পরবর্তী চারদিনে মানগান ৬১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
বিপর্যয় মোকাবিলার সঙ্গে যুক্ত 'সেভ দ্য হিলস' নামে একটি এনজিওর সভাপতি প্রফুল্ল রাও জানান, ২০১১ সালের ভূমিকম্পের পর থেকে উত্তর সিকিমের অনেক এলাকাই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। লাগাতার বৃষ্টি এবং নদীর জলস্রোত বেশি হওয়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। এদিকে সেবক এবং রঙ্গপোর মধ্যে কমপক্ষে আটটি জায়গায় ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে মেরামতির প্রয়োজন। যে জাতীয় সড়কটি সিকিমের সঙ্গে বাংলাকে যুক্ত করে। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
4/4বিপর্যয় মোকাবিলার সঙ্গে যুক্ত 'সেভ দ্য হিলস' নামে একটি এনজিওর সভাপতি প্রফুল্ল রাও জানান, ২০১১ সালের ভূমিকম্পের পর থেকে উত্তর সিকিমের অনেক এলাকাই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। লাগাতার বৃষ্টি এবং নদীর জলস্রোত বেশি হওয়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। এদিকে সেবক এবং রঙ্গপোর মধ্যে কমপক্ষে আটটি জায়গায় ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে মেরামতির প্রয়োজন। যে জাতীয় সড়কটি সিকিমের সঙ্গে বাংলাকে যুক্ত করে। (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
অন্য গ্যালারিগুলি