বাংলা নিউজ > ময়দান > ফুটবলের মহারণ > আগে থেকেই ঠিক ছিল, ইস্টবেঙ্গলের কোচ হিসেবে কনস্ট্যানটাইনের নামে শিলমোহর ইমামির

আগে থেকেই ঠিক ছিল, ইস্টবেঙ্গলের কোচ হিসেবে কনস্ট্যানটাইনের নামে শিলমোহর ইমামির

স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন।

সূত্রের খবর, স্টিফেনের কাছে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল। তিনি ইতিমধ্যে তা সই করে ফেরতও পাঠিয়ে দিয়েছেন। তার পরেই তাঁর নাম কোচ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর সহকারী হিসেবে হয়তো থাকতে পারেন বিনো জর্জ।

বিনো জর্জকে কলকাতা লিগের কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তবে আইএসএলের কোচ হিসেবে ভারতের প্রাক্তন সফল কোচকেই বেছে নিয়েছে লাল-হলুদ। আসন্ন মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হেড কোচ হিসেবে স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের নামের পাশেই এ বার শিলমোহর দিয়েছে ইমামিও। স্বভাবতই সরকারি ভাবে কনস্ট্যানটাইনই নতুন মরশুমে লাল-হলুদের দায়িত্ব নিতে চলেছেন।

আপাতত ২০২২-২৩ মরশুমের জন্য চুক্তিবদ্ধ করা হয়েছে ভারতের প্রাক্তন কোচকে। তবে বুধবার আনুষ্ঠানিক ভাবে কনস্ট্যানটাইনের নাম ইমামি ঘোষণা করে দিলেও, কবে তিনি দেশে আসবেন বা দায়িত্ব নেবেন, সে সম্পর্কে এখনও পরিষ্কার করে কিছু জানা যায়নি।

সূত্রের খবর, স্টিফেনের কাছে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল। তিনি ইতিমধ্যে তা সই করে ফেরতও পাঠিয়ে দিয়েছেন। তার পরেই তাঁর নাম কোচ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর সহকারী হিসেবে হয়তো থাকতে পারেন বিনো জর্জ।

আরও পড়ুন: ISL-এর নিয়মে বড় বদল, শুরু হতে পারে অক্টোবরে, আইলিগ, সুপার কাপ কবে থেকে শুরু?

ইস্টবেঙ্গের সঙ্গে পাকা কথা হওয়ার পর উচ্ছ্বসিত ব্রিটিশ কোচ। তিনি টুইট করে লিখেছেন, ‘ইমামি ইস্টবেঙ্গলের হেড কোচ হওয়ার জন্য আনন্দিত এবং খুব উচ্ছ্বসিত। সেখানে যোগ দেওয়ার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’

দু’দফায় ভারতের জাতীয় দলকে কোচিং করিয়েছেন কনস্ট্যানটাইন। প্রথম বার কোচ হয়ে আসেন ২০০২-এ। ২০০৫ পর্যন্ত তিনি জাতীয় দলের কোচ ছিলেন তিনি। সে সময় তাঁর অধীনে ভারতীয় দল খুব একটা সাফল্যের মুখ দেখেনি। জিতেছিল শুধু এলজি কাপ। এর পর ২০১৫ সালে ফের ভারতে প্রত্যাবর্তন করেন। এই সময়ে তিনি বহু সাফল্য পান।

আরও পড়ুন: EB, MB-র জন্য কলকাতা লিগের নিয়মে বদল, দু' ভাগে লিগ, সুপার সিক্স থেকে খেলবে ৩ প্রধান

তিনি বহু তরুণ প্লেয়ারকে সুযোগ দেন। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার মানসিকতা ভারতীয় প্লেয়ারদের মধ্যে তৈরি করেন। তাঁর অধীনে থাকার সময়ে ২০১৮-র ডিসেম্বরে ভারত ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম একশোর মধ্যে চলে আসে। এ ছাড়াও কনস্ট্যানটাইনের কোচিংয়ে সাফ কাপ জেতে ভারত। ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জেতে এবং এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন করে। অল্পের জন্য এশিয়ান কাপের গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি ভারত।

স্টিফেনকে নেওয়ার বিষয়ে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ইচ্ছা আগেই ছিল। এর আগে চেন্নাইয়িন এফসি-র হেড কোচ হিসেবে ব্রিটিশ স্টিফেনের যোগ দেওয়া নিয়ে প্রবল জল্পনা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ট সেটা সম্ভব হয়নি। তবে এ বার ভারতের জাতীয় দলকে দুই দফায় সাফল্যের সঙ্গে কোচিং করানো স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনকে নিয়ে চমক দিল ইস্টবেঙ্গল। স্টিফেনের বড় সুবিধে তিনি একাধিক ভারতীয় ফুটবলারকে হাতের তালুর মত চেনেন। ফলে স্টিফেনকে প্রস্তাব দিতে দ্বিধাবোধ করেননি লাল-হলুদ কর্তারা।

বন্ধ করুন