বাংলা নিউজ > ময়দান > রাশিয়া-আমেরিকার রাজনৈতিক লড়াই খেলার মাঠে, অলিম্পিক্সের সোনাজয়ীর ন’বছরের জেল
অলিম্পিক্সের সোনাজয়ী ব্রিটনি গ্রিনার ন’বছরের জেল (ছবি-এএফপি)

রাশিয়া-আমেরিকার রাজনৈতিক লড়াই খেলার মাঠে, অলিম্পিক্সের সোনাজয়ীর ন’বছরের জেল

  • আমেরিকার তারকা বাস্কেটবল খেলোয়াড় ব্রিটনি গ্রিনারও রাশিয়ার একাতেরিনবার্গের একটি ক্লাবের হয়ে খেলতে গিয়েছিলেন। সেখানেই মাদক পাচারের দায়ে অভিযুক্ত হন তিনি। সে কারণেই আমেরিকার তারকা বাস্কেটবল খেলোয়াড়কে ন’বছরের জন্যে জেলে পাঠাল রাশিয়ার আদালত। তবে বিষয়টি সহজ মনে হলেও এতটাও সহজ নয়।

আমেরিকায় বাস্কেটবলের মরশুম না থাকায় অনেক খেলোয়াড়ই অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের জন্য বিভিন্ন দেশে গিয়ে স্থানীয় লিগে অংশ নেন। আমেরিকার তারকা বাস্কেটবল খেলোয়াড় ব্রিটনি গ্রিনারও রাশিয়ার একাতেরিনবার্গের একটি ক্লাবের হয়ে খেলতে গিয়েছিলেন। সেখানেই মাদক পাচারের দায়ে অভিযুক্ত হন তিনি। সে কারণেই আমেরিকার তারকা বাস্কেটবল খেলোয়াড়কে ন’বছরের জন্যে জেলে পাঠাল রাশিয়ার আদালত। তবে বিষয়টি সহজ মনে হলেও এতটাও সহজ নয়। 

আরও পড়ুন… ‘তেন্ডুলকর আপনি এই অবস্থায় থাকলে কী করতেন?’ প্রাক্তন ক্যারিবিয়ান বোলারের আর্জি

কারণ এই ঘটনার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে রাশিয়া-আমেরিকার রাজনৈতিক লড়াই। কারণ এই ঘটনার পরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্পষ্ট বলেছেন, ব্রিটনি গ্রিনারের শাস্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ বাইডেনের মতোই অনেকেই মনে করছেন, ইউক্রেন আক্রমণ নিয়ে যে ভাবে রাশিয়ার বিরোধিতা করেছিল আমেরিকা, এই ঘটনা তারই প্রতিশোধ। মাদক পাচারের দায়ে এই নিয়ে দু’দেশের মধ্যে শুরু হয়েছে উত্তেজনা। 

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের কয়েক দিন পরেই গত ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটনি গ্রিনারকে মস্কো বিমানবন্দরে আটক করা হয়। আমেরিকার দু’বারের সোনাজয়ী বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের কাছ থেকে সেই সময়ে গাঁজা-সহ আরও বিভিন্ন মাদক পাওয়া গিয়েছিল। তখন থেকেই বিচারব্যবস্থা নিয়ে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। গ্রিনারকে শাস্তি দেওয়ার পর সেই বিবাদ আরও বেড়ে যায়। গ্রিনারকে ন’বছরের জন্য জেলে পাঠান হয়। এছাড়াও ১৬,৫৯০ ডলারের জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন… রেসে দৌড়নোর সময় বারবার খুলে গেল প্যান্ট! দেখুন তারপর কী হল

গ্রিনারকে শাস্তি দেওয়ার পরেই বিবৃতি দিয়েছিলে বাইডেন। তিনি বলেছেন, ‘অন্যায় ভাবে ব্রিটনিকে আটক করে রেখেছে রাশিয়া। কোনও ভাবেই এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এখনই ওকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ বাইডেন বলেছেন, গ্রিনারকে দেশে ফেরানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবে আমেরিকা। এদিকে গ্রিনার জানিয়েছেন তিনি কোনও ভাবেই নিষিদ্ধ মাদক নিয়ে আইন ভাঙতে চাননি। গ্রিনার দাবি করেন, চোট পাওয়ার পর যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে গাঁজা মেশানো ওষুধ খেতে হয় তাঁকে। তিনি বলেছেন, ‘আদালতকে আমি বোঝাতে চেয়েছি যে তাড়াহুড়ো এবং চাপে থাকার জন্য এই ভুল হয়ে গিয়েছে। আমি দ্রুত দলে যোগ দিতে চেয়েছিলাম।’ গ্রিনারের আইনজীবীদের দাবি, আমেরিকার বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের স্বপক্ষে কোনও যুক্তিই শুনতে চায়নি আদালত। যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ অযাচিত ভাবে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। 

বন্ধ করুন