বাংলা নিউজ > ময়দান > বিসিসিআই থেকে সৌরভের বিদায় নিয়ে এ বার মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

বিসিসিআই থেকে সৌরভের বিদায় নিয়ে এ বার মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

এই বছরই বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদে মেয়াদ শেষ হয়েছে সৌরভের। তার পর আর তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সংস্থায় ছ’বছর এবং বোর্ডে ছ’বছর দায়িত্বে থাকতে পারবেন এক জন আধিকারিক। সেই হিসেব অনুযায়ী, সৌরভের কাছে আরও তিন বছর সময় ছিল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে নিযুক্ত থাকার জন্য। 

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের হয়ে এ বার ব্যাটন ধরেছেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। বিসিসিআই সভাপতি পদ থেকে সৌরভকে বেআইনি ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে- এই দাবিতে তিনি হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছেন। মামলাটি দায়ের করা হয়েছে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে। আগামী সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ফুটবলের প্রশাসনে ফিরছেন? মোহনবাগান থেকে সরছে ATK? সব প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব সৌরভের

শুক্রবারই এই মামলা রুজু করেছেন রমাপ্রসাদ সরকার। তাঁর দাবি, ‘বিসিসিআই-এর সভাপতি এবং সচিব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের রায় রয়েছে। সৌরভকে বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে সেই রায় ঠিক মতো মানা হয়নি! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পুত্র জয় শাহ যদি পুনর্বার বোর্ডে থাকতে পারেন, তবে সৌরভ নয় কেন? তাঁকে কি রাজনৈতিক কারণে সভাপতি পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’ এই প্রশ্ন সৌরভ ভক্তদের মনে বহু দিন ধরেই ঘোরাফেরা করছে। আর তাতেই এ বার ঘি ঢাললেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। যা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাক বধ-উচ্ছ্বসিত হয়ে রোহিতদের শুভেচ্ছা, কোহলি নিয়ে একটি শব্দও খরচ করলেন না সৌরভ

এই বছরই বিসিসিআইয়ের সভাপতি পদে মেয়াদ শেষ হয়েছে সৌরভের। তার পর আর তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সংস্থায় ছ’বছর এবং বোর্ডে ছ’বছর দায়িত্বে থাকতে পারবেন এক জন আধিকারিক। সেই হিসেব অনুযায়ী, সৌরভের কাছে আরও তিন বছর সময় ছিল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে নিযুক্ত থাকার জন্য। কিন্তু অমিত-পুত্র জয় শাহ সচিব পদে থেকে গেলেও সৌরভকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিছুটা তাঁর ইচ্ছের বিরুদ্ধেই।

বিসিসিআই থেকে সরে যেতে বাধ্যই হয়েছিলেন সৌরভ। এমন কী আইসিসি-তেও তাঁর নাম পাঠানোর বিষয়ে রাজি হয়নি বোর্ড। সব রাস্তা বন্ধ হওয়ার পর সৌরভ জানিয়েছিলেন, সিএবি-র সভাপতি পদের জন্য তিনি নির্বাচনে লড়বেন। কিন্তু এ বার নির্বাচনই হয়নি। তাই সৌরভ নিজের মনোনয়ন জমা দেননি। এবং তিনি সিএবি প্রেসিডেন্ট পদে না দাঁড়ানোয়, তাঁর দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় বাংলার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়ে যান।

বন্ধ করুন